প্রথম বাংলাদেশি সিইও পেল গ্রামীণফোন

বাংলাবাজার পত্রিকা
ঢাকা: এই প্রথম কোন বাংলাদেশিকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে পেয়েছে গ্রামীণফোন। তার নাম ইয়াসির আজমান। ১ ফেব্রয়ারি থেকে তাকে সিইও হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদ।

সিইও নিযুক্ত হওয়ার আগে ২০১৫ সালের জুন থেকে গ্রামীণফোনের সিএমও এবং ২০১৭ সালের মে থেকে ডেপুটি সিইও এবং সিএমও হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এরআগে ইয়াসির আজমান টেলিনর গ্রুপ এর বিতরণ এবং ই-বিজনেস বিভাগের প্রধান এবং টেলিনরের হয়ে বিভিন্ন দেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

আজমান বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল ফোলির স্থলাভিশিক্ত হবেন। মাইকেল আফ্রিকায় তার পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গ্রামীণফোন এবং টেলিনর গ্রুপের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেই আজকের অবস্থানে এসেছেন ইয়াসির আজমান। প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে গ্রামীণফোনের সিইও হচ্ছেন তিনি। এটি টেলিনর এবং গ্রামীণফোনের সবার জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও এবং সিএমও হিসেবে আজমান টেলিনর গ্রুপের সব থেকে বাণিজ্যিকভাবে সফল অপারেশন পরিচালনা করে আসছেন।

গ্রামীণফোন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পেটার বি ফারবার্গ বলেন, আমি বিশ্বাস করি আজমান সিইও হিসেবে তার নতুন চ্যালেঞ্জে আগের মতোই সফল হবেন।

মাইকেল ফোলি ২০১৭ সালে মে মাস থেকে গ্রামীণফোনের সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে টেলিনর পাকিস্তান ও বুলগেরিয়ার সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পেটার বি ফারবার্গ বলেন, মাইকেলের নেতৃত্বে গ্রামীণফোন মজবুত অর্থনৈতিক ভিত্তি তৈরি করেছে এবং ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সম্পন্ন করেছে। আমি টেলিনর ও গ্রামীণফোনের জন্য তার বিশেষ অবদান কে ধন্যবাদ দিতে চাই।

ইয়াসির আজমান বলেন, গ্রামীণফোনের সিইও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তাব পেয়ে আমি আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ, সামাজিক ক্ষমতায়ন এবং আমাদের গ্রাহকদের জন্য যা গুরুত্বপূর্ণ তার সাথে যোগাযোগ করিয়ে দিতে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী। বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনাকে পূর্ণরূপে বিকশিত করতে আমাদের এই সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য অত্যন্ত কার্যকরী। আমি আমাদের ৭ কোটি ৫০ লাখ গ্রাহকের আস্থাকে সম্মান জানাই।

এ সময় উদ্ভাবনী প্রযুক্তি আর সেবার মাধ্যমে আরও উন্নত সেবা দেয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি গ্রামীনফোনের প্রথম বাংলাদেশি সিইও ইয়াসির আজমান।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পরিবর্তন ১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ থেকে কার্যকর হবে।