ক্ষুধাভাব কমানোর উপায়

বাংলাবাজার পত্রিকা
লাইফস্টাইল: খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই খুধা লাগা অথবা একবারে বেশি খেয়ে ফেলার সমস্যায় রয়েছে স্বাস্থ্যকর সমাধান। পুষ্টি-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ক্ষুধাভাব কমানোর প্রাকৃতিক কিছু উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

মধু: যাঁরা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন তাদের মিষ্টির চাহিদা মেটাতে মধু খাওয়া যেতে পারে। মধু ক্ষুধার হরমন ঘ্রেলিন দমিয়ে রাখতে পারে। ফলে অনেকক্ষণ পেট ভরা ভাব অনুভূত হয়। এক গ্লাস গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেয়ে পরবর্তী অনেকটা সময় পেট ভরা থাকে।

ডাল: ডাল আঁশ সমৃদ্ধি খাবার এবং তা অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা রাখে। ফলে খাবারের চাহিদা কম থাকে। এক বাটি ডাল ভাতের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ক্ষুধাভাব থাকেনা। রাতে ভারি খাবার বাদ দিতে চাইলে সুপের সঙ্গে ডাল মিশিয়ে খেতে পারেন।

ডিম: প্রোটিন ও চর্বি সমৃদ্ধি খাবার, যা অনেকক্ষণের ক্ষুধাভাবকে অবদমিত রাখে। ফলে বাড়তি খাবারের চাহিদা কমে। সারা পৃথিবী জুড়েই তাই ডিম পছন্দের নাস্তার শীর্ষে।

ডার্ক চকলেট: অনেক গবেষণাতেই দেখা গেছে, নাস্তা হিসেবে এক কামড় ডার্ক চকলেট সারা দিনের খাবারের চাহিদা কমায়। এটা ক্ষুধাভাবকে দূরে রেখে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা রাখে।

সুপ: খাবারের আগে সুপ খেয়ে নিয়ে খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়। তাই যেকোনো বেলার খাবার খাওয়ার আগে এক বাটি সুপ খেয়ে নিন। শরীর চনমনে থাকবে।

খাবারের আগে পানি পান: ক্ষুধাভাব কমাতে খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করে নিন। এতে অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

ভিনিগার: অনেকেই ‘অ্যাসিটিক সলিউশন’কে মূল্যায়ণ করেন না। তবে অনেক ক্ষেত্রেই সুস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এর ভূমিকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রয়ণ এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে ভিনিগার ভূমিকা রাখে। উপকার পেতে খাবারের সময় সালাদে ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধি খাবার: ভিটামিন সি সমৃদ্ধি খাবার যেমন- কমলা বা আঙুর ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধি খাবার এবং সবজি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।

আঁশ সমৃদ্ধি খাবার: ওজন কমাতে চাইলে আঁশ-জাতীয় খাবার আবশ্যক। এর পেছনে প্রধান কারণ হল, আঁশ দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে অনেকটা সময় ধরে ক্ষুধা অনুভূত হয়না। সবজি, ফল, শস্য, কাঠবাদাম, মোটর এবং চিয়া বীজ খাবারে যোগ করলে অনাকাক্সিক্ষত ক্ষুধাভাব ও খাবার গ্রহণের ইচ্ছে থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।