মানবাধিকার কর্মীরা সরকারের প্রতিপক্ষ নয়: সুলতানা কামাল

বাংলাবাজার পত্রিকা
জামালপুর: সুলতানা কামাল বলেছেন, সরকারি আইনগত সহায়তাসহ রাষ্ট্রীয় নানা সুযোগ পাওয়া কারো দয়া নয় মানুষের অধিকার।

গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণ সর্বোচ্চ সম্মান এবং মর্যদা পাবে এটাই সংবিধানের মূলসুর। অথচ চলমান দুর্বৃত্তায়ন প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষ অধিকার বঞ্চনার শিকার।

কিছু দুর্বৃত্ত আমাদের কষ্টার্জিত দেশ কেড়ে নিক আমরা তা হতে দিতে পারি না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধে চেতনায় আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে রুঁখে দাঁড়াতে হবে।

আমাদের নিজেদেরও দক্ষতা, যোগ্যতা এবং স্বচ্ছতা অর্জন করতে হবে। নির্যাতনের শিকার প্রতিটি নাগরিকের ন্যায় বিচার প্রাপ্তিতে নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।

মানবাধিকারকর্মীরা সরকারের প্রতিপক্ষ নয় বরং সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে। রোববার দুপুরে জামালপুরে উন্নয়ন সংঘ আয়োজিত মানবাধিকার কর্মীদের সভায় এসব কথা বলেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আইনজীবী সুলতানা কামাল।

গত দুইদিন আগে গার্মেন্টস কর্মী আশুলিয়া থেকে জামালপুরে নিজ বাড়িতে আসার পথে পিকআপ চালক এবং সহকারীর হাতে নির্মমভাবে ধর্ষণের শিকার হওয়ার ঘটনায় সুলতানা কামাল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন অবিলম্বে ধর্ষকদের খুঁজে বের করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষককে যদি তোন ক্লু ছাড়াই দ্রুত প্রেপ্তার করতে পুলিশ সক্ষম হয় তাহলে এই গণধর্ষণের ঘটনার সাথে জড়িত ধর্ষকদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব।

উন্নয়ন সংঘের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল আলম মোল্লার সভাপতিত্বে উন্নয়ন সংঘের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ডিটিআরসিতে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন- মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের সমন্বয়কারী টিপু সুলতান, উন্নয়ন সংঘের কর্মসূচি পরিচালক নারায়ন চন্দ্র দাস, মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন, আইনজীবী খাজা আলম, মাহফুজা আক্তার সাথী, নুরুজ্জামান, মানবাধিকার কর্মী মনোয়ারা বেগম, রফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, নির্যাতনের শিকার সানজিদা বেগম প্রমুখ।