ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

বাংলাবাজার পত্রিকা
সালাহউদ্দিন সালমান, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ): মুন্সীগঞ্জ জেলা থেকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে যাওয়ার সড়ক মাত্র একটি। সিরাজদিখান উপজেলার তালতলা-ডহরী খালের উপর সিরাজদিখান ও টঙ্গিবাড়ি উপজেলার সংযোগ বেইলি ব্রিজটি অনেক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে।

কিছু দিন পর পর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি জোড়া তালির কাজ করে সচল রাখে সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষ। এতে করে প্রায়-ই এই রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

আগে কোন বিকল্প রাস্তার কথা না জানিয়ে ব্যস্ততম এই রুটটি আকস্মিক যানবাহন থামিয়ে জোড়া তালির কাজ শুরু করে কর্তৃপক্ষ। এরফলে এ রুটে চলাচলরত হাজার হাজার মানুষকে ভোগান্তিতে পরতে হয়।

কিন্তু মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষ বলেছে শীঘ্রই সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী নতুন ব্রিজের কাজ শুরু হবে। এ অবস্থার মধ্য দিয়েই প্রতিনিয়ত উপান্তরহীন হয়ে এই ব্রিজ দিয়ে হাজার হাজার যানবাহন চলাচল করে।

গত কয়েকদিন ধরে ব্রিজটির মাঝের কয়েকটি লোহার প্লেট দেবে যাওয়ায় ভারী যানবাহন চলাচলে ভেঙ্গে পরার আশঙ্কা রয়েছে।

এমন আশঙ্কা প্রতি নিয়ত হয়ে থাকে। সিরাজদিখান ও শ্রীনগর হয়ে মুন্সীগঞ্জ, নারায়নগঞ্জ ও টঙ্গিবাড়ির কোথাও যেতে হলে ২০-২২ কি. মি পথ ঘুরে যেতে হয়।

বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের একই অবস্থা। আগে থেকে জানতে না পারায় ভোগান্তিতে পরতে হয় চলাচল কারীদের।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বেতকা ইউনিয়নের আমজাত হোসেন তার বয়স্ক বাবাকে চিকিৎসা দিয়ে এম্বুলেন্স এ বাড়ি ফিরছিলেন, বাড়ির কাছে এসে ভোগান্তিতে পরেছেন তিনি। কিছু দিন পর পর জোড়া তালি দিতে ব্রিজটিকে। এ সময় রাস্তাটি ৫/৬ দিন বন্ধ থাকে বলে স্থানীয়রা জানান।

তারা জানান, দ্রুত ব্রিজটি সরিয়ে স্থায়ী ব্রিজ করা জরুরি। না হলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই রুটের নিয়মিত যাত্রী মাসুদ বলেন, দুদিন পর পর এই ব্রিজের কাজ করে কেনো আমি বুঝি না?

তিনি বলেন, সরকারের লাখ লাখ টাকা ব্রিজের কাজের নামে আত্মসাত করে। তা না হলে কাজ শেষ হয় না কেনো।

মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের(সওজ) উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহমান জানান, মুন্সীগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীন ঝুঁকিপূর্ণ সেতু কংক্রিটের ধারায় প্রতিস্থাপক নির্মিত ৪৮ টা বেইলি ব্রিজ ও সরু আর সি সি ন্যারো সেতুর কাজ শীঘ্রই সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী শুরু করা হবে।