ছন্নছাড়া সেঁজুতি

ছন্নছাড়া সেঁজুতি
-মৌমিতা পাল

||পুরনো চিঠি ||
(কবিতা আমাকে নষ্ট হতে বলে অথচ কবি মানে অসংযম নয়)

ব্যবস্থা নরম
শুধু চেয়ে চেয়ে থাকি
চৌকাঠ পেরিয়ে জল এসে লাগল রিসিভারে।

ফুটপাতে ছড়িয়ে দিলাম কাহিনী,
এবার আর সুকন্যারা খুঁজে পাবে না আমাকে
যতদূর পারি , নির্লজ্জ বেড়াল আমি
রাস্তা ঘাট নোংরা,
দেখেছি পেপারে
আর আমার ত্রাণকার্যের পরে
প্রেমিকেরা কেঁদে ককায়

কতো লাশ ধুয়ে দিল
ঠান্ডা বৃষ্টি
দুধের সর খেয়ে শিব কুমারেরা
পৃথিবীর প্রাচীন গুহায়।
আপাতত
ওদের পিওন করে দিলাম
আমার সামান্য চিঠি ওরা পৌছে দিক ইনিয়ে বিনিয়ে,
পান্তা ভাতেরা
এবার ফ্রাইড চিকেন

||তাল নৌকা||
ফ্লাইওভার, ফ্লাইওভার
আমার পাড়া যাবে?
পিওনেরা সয়েছে অনেক
এবার ঘুম পাবে।

অনুরোধ রেখ অন্ধের
তবেই ব্রজবুলি পথে পাবে চাবি ঝনঝন
আর পাখিরা বিখ্যাত শোলে
জানি পাখি বদলে সুদ খোর বদলা নেবে।

||রুরুকে||
খড়িশবন্ধু, থৈ থৈ করুণা, এক বাস ঘুমের মাঝে
জেগে উঠি- জেগে উঠি ফেলে আসা
স্যালাড-ভোরে;
ন্যাঙটো হয়ে আমরা
ছড়িয়ে পড়ি
দুকামরার বাসায়-
হুইস্কির পেগে।
রুরু যেন কার প্রেমিক!
আমি তার
আজীবন!
বাঘিনীর নখে চিরে চিরে পরখ করি,
গন্ধর্ব-বালকের মতো শরীর রুরুর!

হেমন্তে আমি খালি হয়ে যাই
কাতর-কান্নার মাঝরাতে আমি আনন্দ হয়ে জাগি