সুকান্তর আবৃত্তিশৈলী

বাংলাবাজার পত্রিকা
ঢাকা: আধুনিককালে বাংলাভাষায় আবৃত্তির নবতর প্রসার ঘটে বিশ শতকের গোড়ার দিকে। প্রাচীনকাল থেকে পূর্ব ও পশ্চিমবঙ্গে আবৃত্তি বলতে যা বোঝাত তা হলো, পাঁচালী, পুঁথি, রুপকথা, আর্শীবচন ইত্যাদির সুরেলা পাঠ।

আবৃত্তির মোড় ঘুরে যায় আধুনিক বাংলা কবিতার উন্মেষপর্বে। রবীন্দ্র কবিতার আবৃত্তি দিয়েই মূলত আধুনিক আবৃত্তি চর্চার শুভসূচনা হয়।

আবৃত্তি: সর্ব শাস্ত্রাণাং বোধাদপি গরীয়সী। আবৃত্তি সব শাস্ত্রের বোধের চেয়ে ও গৌরবের। প্রয়োগ শিল্পের কনিষ্ঠতম হলেও আবৃত্তি সেই প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রথম বাচিকশিল্প।

এবার অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০ এ নাগরী প্রকাশনী হতে প্রকাশিত হয়েছে আবৃত্তিশিল্পী এবং সংগঠক, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য সুকান্ত গুপ্ত সম্পাদিত আবৃত্তি প্রশিক্ষণ নির্ভর বই ‘আবৃত্তিশৈলী’।

আবৃত্তিশৈলীতে পাওয়া যাবে আবৃত্তি উপযোগী শতাধিক কবিতা। সুকান্ত গুপ্ত’র জন্ম ১৯৮৪ সালে সিলেটে। ছোটবেলার থেকে তার আবৃত্তির শুরু।

বাংলাদেশ বেতার সিলেট কেন্দ্র সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় আবৃত্তি,সংবাদপাঠ ও উপস্থাপনা নিয়ে কাজ করছেন।

এর পূর্বে গতবছর নাগরী প্রকাশনী হতে বের হয়েছিল তার প্রথম উপন্যাস ‘অরণি’। এছারাও তার আবৃত্তির ৮ টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে।

আবৃত্তিশৈলী পাওয়া যাবে ঢাকায় বাংলা একাডেমির বইমেলা ২০২০ এর স্টল নং ২২৫-২২৬, সিলেট বইমেলা,অনলাইন বুকশপ রকমারী এবং বাতিঘরের সকল শাখায়।