পরকীয়ার বলি রোকসানা, আরও দুই আসামী গ্রেপ্তার

বাংলাবাজার পত্রিকা
আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ): নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পরকীয়ার জেরে গার্মেন্টস কর্মী রোকসানা আক্তার রুনাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বের হয়ে এসেছে।

রোববার মামলার আরো দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা হলেন- সোনারগাঁও থানাধীন চরকামালদী এলাকার শাহাজানের ছেলে মামুন (২০) ও স্থানীয় উৎরাপুর এলাকার রুপচাঁনের ছেলে সাকিল ( ২৩)।

এর আগে এ মামলার প্রধান আসামি নিহতের স্বামী গোলজারকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মিরপুরের বালুরঘাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি স্থানীয় মারুয়াদি এলাকার মৃত অহিদ মিয়ার ছেলে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত দুই ব্যক্তির নাম বের হয়ে আসে।

আড়াইহাজার থানার ওসি ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুনার পরকীয়ার জেরে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

তবে হত্যার পেছনে অন্যকোনো ঘটনা আছে কি না, তা আরো জিজ্ঞাসাবাদ বের হয়ে আসবে বলে জানান তিনি।

মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামীম জানান, আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় ধৃত মামুন রুনার পায়ে ধরে অপরদিকে সাকিল হাত ধরে রাখে।

এক পর্যায়ে গোলজার রুনার শ্বাসরোধ করে হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

জানা গেছে, একমাস আগে প্রথমে পুলিশ নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যুর মামলা গ্রহণ করে। ময়নাতদন্তের পর ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে প্রতীয়মান হয়।

১৫ ফেব্রুয়ারি এটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। নিহতের ভাই কামলা হোসেন মামলাটি করেন।

প্রসঙ্গত ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের বিনারচর এলাকার জুলহাসের বাড়িতে গোলজার রোকসানা আক্তার রুনাকে নিয়ে ভাড়াবাসায় থাকতেন।

তিনি গোলজারের তৃতীয় স্ত্রী। ঘটনার পর তার পরিবারকে জানানো হয় সে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াবন্ধ হয়ে মারা গেছেন।

তিনি স্থানীয় মাহমুদপুর ইউনিয়নের রগুনাথপুর এলাকার মৃত কালু মিয়ার মেয়ে।