যেসব পণ্যের দাম বাড়বে

Daam-Barbey

বাংলাবাজার পত্রিকা
ডেস্ক: ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কর কাঠামোয় বেশ কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। এর ফলে বেশকিছু পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে সিগারেট, জর্দা, আমদানিকৃত পেঁয়াজ, আমদানিকৃত মধু, আমদানিকৃত স্মার্ট মোবাইল ফোন, প্যাকেটজাত খাবার, শিল্পে ব্যবহৃত লবণ, প্রসাধনী পণ্য, আমদানিকৃত ড্রেজার,

আমদানিকতৃ সিআর কয়েল, সিরামিকের সিংক ও বেসিন, চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টারের দাম বাড়তে পারে।

এবারের বাজেটে বিপর্যস্ত মানুষকে কর সুবিধা দিতে যাচ্ছে সরকার। তবে যেসব খাত করোনা পরিস্থিতিতে তেমন ক্ষতির মুখে পড়েনি সেসব খাতে করের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

এতে আমদানিকৃত মোবাইল ফোন, বিড়ি-সিগারেটের দাম বাড়তে পারে। এছাড়া ব্যাংকে বেশি টাকা রাখলে বেশি শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। আবগারি শুল্কের হারেও কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বাজেটে অধিকাংশ ক্ষেত্রে কর-সুবিধা দেয়ার চাপ সামলানোর জন্য টেলিকম সেবার ওপর ৫ শতাংশ সম্পুরক শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফলে মোবাইল ফোনে কথা বলা, এসএমএস ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়বে। এটি বৃহস্পতিবার বাজেট ঘোষণার দিন থেকেই কার্যকর হবে।

বর্তমানে টেলিকম সেবার ওপর ১০ শতাংশ সম্পূরক রয়েছে, এটি বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। এ ছাড়া মোবাইল কলের ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ১ শতাংশ সারচার্জ রয়েছে।

এদিকে রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে বিড়ি, সিগারেট ও জর্দার দাম আরেক দফা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রী।

প্রস্তাব অনুযায়ী সিগারের সর্বনিম্ন স্তরের ১০ শলাকার দাম ৩৭ থেকে বাড়িয়ে ৩৯ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫৭ শতাংশ করা হয়েছে।

মধ্যস্তরের সিগারের দাম ১০ শলাকার দাম আগের মতোই ৩১ টাকা, উচ্চস্তরের ১০ শলাকার দাম ৯৩ থেকে বাড়িয়ে ৯৭ টাকা, অতি উচ্চস্তরের ১০ শলাকার দাম ১২৩ টাকার স্থলে ১২৮ টাকা করা হয়েছে।

এ তিনটি স্তরের সম্পূরক শুল্ক আগের মতোই ৬৫ শতাংশ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এদিকে দেশি শিল্পকে সুরক্ষা দিতে আমদানিকৃত প্যাকেটজাত তরল দুধ, গুঁড়ো দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

তবে শিশুখাদ্য এর বাইরে থাকবে। পাশাপাশি বাড়তে পারে আমদানিকৃত বিলাসদ্রব্য যেমন বডি স্প্রে, প্রসাধনী, জুস, প্যাকেটজাত খাদ্যের দাম।