বছরের শুরুতেই বাজারে আগুন

বাংলাবাজার পত্রিকা
ডেস্ক: পুরনোকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরের আগমনের সঙ্গে সঙ্গে বাজারে চলে এসেছে নতুন মূল্য তালিকা। বছরের শুরুতেই চাল তেলসহ অন্তত ১০টি পণ্যের দাম বেড়েছে।

কমেছে পেঁয়াজ, আলু ও ডিমের দাম। দাম বাড়া পণ্যের তালিকায় রয়েছে মাঝারি মানের মসুর ডাল, ব্রয়লার মুরগি, এলাচ, দারচিনি, জিরা, আমদানি ও দেশি দুই ধরনের আদা, খোলা সয়াবিন তেল, এক লিটার ও ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন, পাম খোলা ও পাম সুপার।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে চিকন ও মাঝারি চাল কেজিতে ২ টাকা করে বেড়েছে। চালের কেজি প্রায় ৭০ টাকা ছঁইছুঁই।

অবশ্য নতুন বছরে মোটা চালের দাম নতুন করে না বাড়লেও তা ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। আর চিকন চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৬ টাকা কেজি দরে।

এক সপ্তাহ আগে এই চালের দাম ছিল ৫৮ টাকা কেজি। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকার ব্যবসায়ী বিপ্লব সরকার বলেন, চাহিদার তুলনায় চালের সরবরাহে ঘাটতির কারণে দাম বাড়ছে। আমদানি করা চাল বাজারে এলে দাম কমবে।

এ প্রসঙ্গে বাদামতলী ও বাবুবাজার চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন বলেন, চালের সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।

ধানের দাম বেড়ে যাওয়া এবং বন্যা ও অতিবৃষ্টির কারণে উৎপাদন কিছুটা কম হওয়ার কারণে চালের দাম বেড়েছে।

গত এক সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে জিরা ও দারচিনির দাম।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দারচিনি ও জিরা কেজিতে বেড়েছে ৫০-৬০ টাকা করে। খুচরা বাজারে মাঝারি মানের মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে মসুর ডালের দাম ছিল ৮০-৯০ টাকা।

১২০ টাকা কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা কেজি দরে। আদার দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা করে। গত সপ্তাহে বিক্রি হওয়া ৩২ টাকা হালি ফার্মের ডিম শুক্রবার বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকায়।

ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হওয়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বেশি। এ ছাড়া ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।

এতে সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা কমেছে। পেঁয়াজের সঙ্গে নতুন আলুর দামও বেশ খানিকটা কমেছে। তবে পুরনো আলুর দাম বেড়েছে।