পানি কম পাচ্ছে বাংলাদেশ

বাংলাবাজার পত্রিকা
ডেস্ক: চলতি বছরই বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফারাক্কা পানিবণ্টন চুক্তির দুই যুগ পূর্তি হচ্ছে। এ উপলক্ষে শনিবার থেকে পদ্মা নদীর পানি পরিমাপ ও পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে দুই দেশের ছয় সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল।

এ পর্যবেক্ষণ চলবে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাইড্রোলজি বিভাগ জানায়, পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পরপর দুই বছর পদ্মার পানির প্রাপ্যতায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

গত বছরের জানুয়ারির চেয়ে এবার কমপক্ষে ১৪ হাজার কিউসেক পানি কম রয়েছে। এই পয়েন্টে বর্তমানে প্রায় ৮৮ হাজার কিউসেক পানি রয়েছে বলে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোর্শেদুল ইসলাম।

গত বছর এই সময় সেখানে এক লাখ দুই হাজার ৫৭৪ কিউসেক পানি ছিল বলে জানান তিনি। ফারাক্কা পয়েন্টে গত বছর এক লাখ ৬১ হাজার কিউসেক পানি ছিল।

এর মধ্যে ৬০ হাজার ৬১ কিউসেক বাংলাদেশের আর ভারতের ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাওয়ার কথা।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ শুরু হয়। এ বছরের প্রথম দিন শুক্রবার হওয়ায় ২ জানুয়ারি থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়।

শনিবার দুপুরে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পদ্মার পানি পর্যবেক্ষণ শুরু হয়েছে জলে জানান পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাবনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী রইচ উদ্দিন।

জানা গেছে, পর্যবেক্ষণ টিমে ভারতের ২ জন বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তারা হলেন—দেশটির কেন্দ্রীয় নদী কমিশনের (সিডব্লিউসি) উপপরিচালক (ডিডি) ভেংক্টেশ্বর লুই ও সিডব্লিউসির সহকারী পরিচালক (এডি) নগেন্দ্র কুমার।

এ টিমে থাকা বাংলাদেশের ৪ জন হলেন—পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাউবো বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুদ্দিন আহমদ, নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল করিম, নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন মিয়া ও উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সিব্বির হোসেন।

বিশেষজ্ঞ টিম প্রতি ১০ দিন পর পানির প্রাপ্যতা পরিমাপ করে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে। এরপর মন্ত্রণালয় তা পর্যবেক্ষণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করবে।