জলবায়ু কূটনীতিতে গতি সঞ্চার হবে: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গণভবনে এলে অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি সংস্করণসহ কয়েকটি বই তাকে উপহার হিসেবে তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-ইন্টারনেট

বাংলাবাজার পত্রিকা
ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন জলবায়ু পরিবর্তন কূটনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

তিনি বলেন, ‘প্যারিস চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসা জলবায়ু কূটনীতির ক্ষেত্রে নতুন গতির সঞ্চার করবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে শুক্রবার বিকেলে গণভবনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু সংক্রান্ত বিশেষ দূত জন কেরি সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

বৈঠকৈর পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

এ সময় জন কেরির হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি সংস্করণসহ কয়েকটি বই উপহার হিসেবে তুলে দেন।

এর আগে জন কেরি শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভারতের দিল্লি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

জন কেরিকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার।

পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকের পর এক প্রেস ব্রিফিং করেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশে যে উদারতা দেখিয়েছে তার প্রশংসা করেন ঢাকা সফররত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ুবিষয়ক দূত জন কেরি।

তিনি বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশের একার দায় নয়। বরং জাতিসংঘসহ সব দেশকে এই দায় নিতে হবে।’

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট ও বর্তমানে মিয়ানমারে যা চলছে সেটি মোকাবিলা করা নৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

এ সংকট কীভাবে সমাধান করা যায় তা নিয়ে বাইডেন প্রশাসন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।