জেঁকে বসেছে শীত, কাঁপছে লালমনিরহাট

বাংলাবাজার পত্রিকা
লালমনিরহাট: পৌষের মাঝামাঝি সময়ে এসে জেঁকে বসেছে শীত। উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে খেটে খাওয়া মানুষেরা। এরমধ্যে শীতে কাঁপছে লালমনিরহাটবাসী। পার্শবর্তী জেলা কুড়িগ্রামেরও একই অবস্থা।

কুয়াশার সাথে হালকা শৈত্যপ্রবাহে হিমালয়ের নিকটবর্তী সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কুড়িগ্রামের রাজারহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, গঙ্গাধর, তিস্তা ও ধরলা নদীর অববাহিকায় বসবাসকারী মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দিনমজুর ও খামারের শ্রমিকরা প্রতিকূল আবহাওয়ায় কাজের জন্য বাড়ির বাইরে যেতে পারছে না।

দিনভর সূর্যের দেখা না পাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। ফলে ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে আকাশ।দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার চর রাজপুর ইউনিয়নের লাইজু বেওয়া (৬৩) জানান, পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র না থাকায় ওই এলাকার শীতার্ত মানুষরা খড় পোড়ানো আগুনের ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হয়।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙা গ্রামের কৃষক আনোয়ার হোসেন (৬৫) জানান, গত কয়েকদিন ধরে বৈরী আবহাওয়ায় মাঠে কাজ চালিয়ে যাওয়া কৃষকদের জন্য খুবই কষ্টকর।