যত্নে থাকুক পা, আসুক পথ চলায় স্বস্তি

বাংলাবাজার পত্রিকা
ডেস্ক: সাধারণত আমাদের দেশে বর্ষাকালে বিভিন্ন এলাকায় পানিবাহিত রোগ দেখা দেয়। এরফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আমাদের পা।

তাই বর্ষার এ সময়টাতে চুল, ত্বক এবং শরীরের যত্নের পাশাপাশি পায়েরও যত্ন নিতে হবে। যেহেতু রাস্তার ময়লা পানি, কাদা সব মাড়িয়ে চলতে হয় তাই এ সময় পায়ের চুলকানি, ঘা বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

পা যত্নে থাকলেই আমাদের পথ চলায় স্বস্তি থাকবে। সুস্থ পায়ে হেটে আনন্দ পাবেন। এই বর্ষায় ছত্রাক, ব্যাক্টেরিয়া ও পায়ের বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পেতে নিয়মিত পায়ের যত্ন নিন।

চলুন জেনে নেয়া যাক এ সময় কী করবেন-
> বাইরে থেকে ফিরে পা যাতে বেশিক্ষণ ভিজে না থাকে সে দিকে খেয়াল রাখুন। ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন আপনার পা। রাস্তার কাদাজল এই মৌসুমে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

> বর্ষায় বাইরে বের হলেই কাদা-পানিতে পা নোংরা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ কারণে ফ্যাশনেবল চটি বা স্যান্ডেলের দিকে নজর রাখতে হবে। ঢাকা জুতার বদলে হাওয়াই চটি, স্যান্ডেল, অথবা গামবুট জাতীয় জুতা বর্ষার সময় ব্যবহার করুন। ভিজে যাওয়া জুতো কখনোই পরবেন না।

> পায়ে দুর্গন্ধ এড়ানোর জন্য সপ্তাহে দু’বার গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস দিয়ে তাতে পা ডুবিয়ে থাকুন কিছুক্ষণ। তারপর শুকিয়ে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

> প্রতিদিন ঘরে ফিরে কিছুক্ষণ হালকা গরম পানিতে পা ডুবিয়ে বসে থাকুন। অ্যান্টিসেপ্টিক লিকুইড মিশিয়ে নিতে ভুলবেন না। যদি অ্যান্টিসেপ্টিক না থাকে; তাহলে সামান্য বাথসল্ট মিশিয়ে উষ্ণ পানিতে পা ধুয়ে নিন। এতে পায়ে থাকা জীবাণু সহজেই দূর হবে।

> নখে ময়লা জমা হতে পারে। তাই পায়ের নখ নিয়মিত কাটুন। নখের ভেতর এবং আঙুলের ফাঁকে জমানো ময়লা থেকে অনেক সময় সংক্রমণ ঘটে।

> যদি কোথাও কেটে-ছিড়ে যায়; তাহলে সেই ক্ষতস্থান যেন খোলা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন। বর্ষাকালে জলবাহিত রোগ বেশি হয়।

> শুকনো পায়ে দিনে দু’বার, স্নানের আগে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ে কোনো ভালো অ্যান্টিফাঙ্গাল ময়শ্চারাইজার মেখে ঘুমান।

সূত্র: এনডিটিভি ও জাগো নিউজ