বিএসটিআইয়ের অফিস হবে ৩৪ জেলায়

বাংলাবাজার পত্রিকা
ঢাকা: জনগণের দোরগোড়ায় বিএসটিআই’র সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে আরও ৩৪টি জেলায় বিএসটিআইয়ের অফিস স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী বডি বিএসটিআই কাউন্সিল।

পণ্যের মান প্রণয়নকারী একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশনের ৩৩তম কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়া পণ্যের গুরুত্ব বিবেচনায় আরও তিনটি পণ্যকে (ফ্রুট ড্রিংস, ওয়েফার বিস্কুট এবং সোলার ব্যাটারি) বিএসটিআই’র বাধ্যতামূলক মান সনদের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

রাজধানীর তেজগাঁওস্থ বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

শিল্পমন্ত্রী ও বিএসটিআই কাউন্সিলের সভাপতি নূরুল মজিদ মাহমুদ হূমায়ুনের সভাপতিত্বে কাউন্সিল সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম, বিএসটিআই মহাপরিচালক মো. মুয়াজ্জেম হোসাইনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, এফবিসিসিআই এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিএসটিআই এর কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণের আস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এটাকে ধরে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, শিল্পায়নের সাথে ভেজাল সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে বিএসটিআইকে আরও শক্ত অবস্থান নিতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে বিএসটিআই’র কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে হবে।

ভেজাল পণ্য উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে বিএসটিআইকে নির্দেশ দিয়ে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভেজাল ব্যবসায়ীরা জেনে-বুঝে ভেজাল দিচ্ছে। এটা এক ধরনের দুরভিসন্ধী। তারা বেশি মুনাফা করে অর্থের পাহাড় গড়তে চায়। তাই তাদের বিরুদ্ধে বিএসটিআইকে আরও কঠোর হতে হবে।

সভায় কাউন্সিল সদস্যরা আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের বৈচিত্রতা এবং গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করার পরামর্শ দেন।

তারা বলেন, বিএসটিআই আইন অনুযায়ী এ বিষয়ে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে।

এছাড়া ইউরোপের বাজারে কৃষিজাত পণ্য রফতানি বৃদ্ধি এবং হালাল সার্টিফিকেশন নিয়ে কাজ করার জন্য তারা বিএসটিআইকে তাগিদ দেন।