বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার ট্রাস্টি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাবাজার পত্রিকা
ঢাকা: কৃষক ও কৃষির সাথে সংশ্লিষ্টদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে কৃষিতে এই সাফল্য। কৃষি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ও অনুকরণীয় অবদানের জন্য রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ আগের মতো ১৪২৪ বঙ্গাব্দের পুরস্কার দেয়া হবে।

মোট ২৮৫টি আবেদনের মধ্য হতে সর্বশেষ ৪০টি আবেদনের মধ্য হতে ৩২ জন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করা হয়েছে। পুরস্কার সমুহের মধ্যে প্রথম পুরস্কার ৫টি স্বর্ণ, দ্বিতীয় পুরস্কার ৯টি ব্রোঞ্জ ও ৩য় পুরস্কার ১৮টি রৌপ্য পদক প্রদান করা হবে।

কৃষিমন্ত্রী ও ট্রাস্ট্রি বোর্ডেও চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক মহোদয়ের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার ট্রাস্টি বোর্ডের ৫ম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দেশরত্ন মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে খাদ্য উৎপাদনের জন্য আধুনিক, উন্নত ও টেকসই প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও ব্যবহারকে শক্তিশালী করেছে এছাড়া খাদ্য উৎপাদন খরচ হ্রাস করার জন্য সারের মুল্য একাধীকবার কমানো হয়েছে।

কৃষি শতভাগ যান্ত্রীকিকরণ কাজ এগীয়ে চলছে। এর ফলে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ অর্জন করাসহ ইতিমধ্যে চাল রফতানিও করেছে বাংলাদেশ।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে কৃষি উন্নয়নে অনুপ্রেরণা জোগাতে এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন।

বঙ্গবন্ধু কৃষি উন্নয়নের যে জয়যাত্রা শুরু করেছিলেন বর্তমান সরকার তা অনুসরণ করে সে অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখে আরও বেগবান হরা হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় এবার বঙ্গাব্দ ১৪২৪ এর পুরস্কার দেয়া হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী বছরে ১৪২৫ ও ১৪২৬ বঙ্গাব্দের পুরস্কার প্রদান করা হবে। এ ব্যাপারে আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করা হবে।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রদান করা হয় ১০টি বিষয়ে ওপর বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার; যেমন: কৃষি গবেষণা অবদান, কৃষি সম্প্রসারণে অবদান, প্রাতিষ্ঠানিক/ সমবায়/ কৃষক পর্যায়ে উচ্চ মান সম্পন্ন বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিতরন ও নার্সারি স্থাপন।

কৃষি উন্নয়নে জন সচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্বুদ্ধকরন প্রকাশনা ও প্রচারণামূলক কাজ, পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন বা ব্যবহার, কৃষিতে মহিলা দের অবদান, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে খামার স্থাপন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বনায়ন, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গবাদিপশু ও হাঁসমুরগী চাষ, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মৎস্য চাষ।

অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে বোর্ডের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কমিটির সদস্য পরিবশে, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী মো. আশরাফ উদ্দিন খসরু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর ভিসিবৃন্দ এবং বঙ্গবন্ধু চেয়ার এর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও মো. মোতাহার হোসেন মোল্লা উপস্থিত ছিলেন।