ইজতেমার আখেরী মোনাজাতে প্রধানমন্ত্রী

বাংলাবাজার পত্রিকা
ঢাকা: বিশ্ব ইজতেমার ৫৫তম আসরের প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাতে শরিক হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হজের পরে বিশ্বে মুসলমানদের বৃহত্তম জমায়েত এটি।

টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে আয়োজিত এই ইজতেমায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। গণভবনে রোববার সকালে ছোট বোন শেখ রেহানাকে নিয়ে মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রী।

ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও এ সময় মোনাজাতে শরিক হন।

ইজতেমা উপলক্ষে বিশেষ মোনাজাতে দেশের জন্য অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি এবং কল্যাণের পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর ঐক্য কামনা করা হয়।

কাকরাইল মসজিদের মুরব্বী হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের বাংলা ও আরবী উভয় ভাষায় ৩৫ মিনিট মোনাজাত পরিচালনা করেন।

এবার ইজতেমায় দুই হাজার বিদেশীসহ লাখ লাখ মুসল্লী রাজধানীসহ দেশজুড়ে শৈত্যপ্রবাহের বিরূপ আবহাওয়া উপেক্ষা করে এই জমায়েতে শরীক হয়েছেন।

এরআগে শুক্রবার ভোরে ফজর নামাজের পর আমবয়ানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্যায় শুরু হয়।

প্রথম পর্বের ইজতেমার তিন দিনে বিশিষ্ট উলেমা মাশায়েখ পবিত্র কোরান ও সুন্নাহর আলোকে বয়ান করেছেন।

এসব বয়ান বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে শুনানো হয়। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা একই স্থানে ১৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

নয়াদিল্লী ভিত্তিক তাবলীগ-ই-জামাত ১৯৬৭ সাল থেকে টঙ্গীতে ইজতেমার আয়োজন করে আসছে।

দেশ বিদেশ থেকে আগত ক্রমবর্ধমান মুসল্লীদের ব্যবস্থাপনার জন্য ২০১১ সাল দুই পর্যায়ে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।