সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬

৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার কঠোর নির্দেশনা

৫০তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার কঠোর নির্দেশনা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন ও কঠোর নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। রবিবার(১৫ মার্চ) পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও জালিয়াতি প্রতিরোধে এবার আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৫০তম বিসিএসের আবশ্যিক বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এরপর কারিগরি ও পেশাগত বা পদসংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা শুরু হবে ২৭ এপ্রিল এবং শেষ হবে ৭ মে। এই পরীক্ষাগুলো ঢাকাসহ সকল বিভাগীয় শহরে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। পিএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতির জন্য পরীক্ষার্থীদের কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছে। মোট ১২,৩৮৫ পরীক্ষার্থী এই পর্যায়ে অংশ নেবে।


পিএসসি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার হলে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক যোগাযোগযন্ত্র, মোবাইল ফোন, ডিজিটাল বা অ্যানালগ ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, বই-পুস্তক ও ব্যাগ রাখা যাবে না। এছাড়া চাবি, মানিব্যাগ, গয়না, ব্রেসলেট এবং ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইসও নিষিদ্ধ। এই ধরনের সামগ্রী সঙ্গে রাখা পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশে অনুমতি দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিধানও রয়েছে।


পরীক্ষার দিনে প্রবেশপথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে নিবিড় তল্লাশি করা হবে। পিএসসি ইতিমধ্যে পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে খুদে বার্তা (এসএমএস) মাধ্যমে নির্দেশনা পাঠানো শুরু করেছে।


পরীক্ষার সময় কানের ওপর কোনো ধরনের আবরণ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কানের ওপর আবরণ রাখলে পরীক্ষার্থীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। তবে চিকিৎসার কারণে শ্রবণ সহায়িকা (হিয়ারিং এইড) ব্যবহার আবশ্যক হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেভাগে কমিশনের লিখিত অনুমোদন নিতে হবে।



পিএসসি জানিয়েছে, এসব ব্যবস্থা গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হল পরীক্ষা শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জালিয়াতি রোধ করা।


সম্পাদক : আবদুল মাতিন