শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কে সাংবাদিক, তা নির্ধারণে যথাযথ কর্তৃপক্ষ চান তথ্যমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম পৃথিবীর যেখানেই যান, বাংলাদেশের খাবারের প্রশংসা করেন আতিফ আসলাম বাংলাবাজার পত্রিকা.কম শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব মোদী সরকারের বাংলাবাজার পত্রিকা.কম পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, আলোচনায় যারা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম লাইফ সাপোর্টে বাংলাবাজার পত্রিকা.কম লিবিয়ায় জিম্মি ৬ বাংলাদেশি তরুণ, পরিবারকে ভিডিও কলে রেখে নির্যাতন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম 'রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারবেন, সংবিধানে সেই সুযোগ আছে' বাংলাবাজার পত্রিকা.কম চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত হওয়া পরীক্ষা শুরু ২৭ জুলাই বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে যে ৬ মসলা

প্রবাসী আয় বাড়লেও কমছে রিজার্ভ

প্রবাসী আয় বাড়লেও কমছে রিজার্ভ

নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রবাসী আয়ে চাঙা ভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। এ মাসের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৪২ কোটি ৬৩ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। অর্থাৎ দৈনিক গড়ে দেশে এসেছে ৬ কোটি ৭৯ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংস্থার (আইএমএফ) নিয়মে দেশে বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত রিজার্ভ ২ হাজার ৩৪৪ কোটি (২৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন) ডলার। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ২ হাজার ৯৮৫ কোটি ডলার (২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন) ডলার। রোববার (২৩ জলাই) এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতি মাসে ৬ বিলিয়ন ডলার হিসাবে এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৪ মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে বাংলাদেশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফের পদ্ধতিতে ১০ দিন আগে অর্থাৎ ১৩ জুলাই রিজার্ভ ছিল ২৩.৫৬৯ বিলিয়ন ডলার। আর বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রিজার্ভ ছিল ২৯.৯৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, গত ১০ দিনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমলো প্রায় ১২ কোটি মার্কিন ডলার। এদিকে রেমিট্যান্স নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে জানা যায়, জুলাই মাসের প্রথম ২১ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৮ কোটি ১৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১১৯ কোটি ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৭ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। 

প্রসঙ্গত, গত জুনে প্রবাসীরা ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার দেশে পাঠান। যা গত ৩৫ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, আর একক মাস হিসেবে এই অঙ্ক এযাবৎকালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২০ সালের জুলাইয়ে দেশে সর্বোচ্চ ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছিল। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। তার আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল, যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। 

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংস্থার (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক নিয়মে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত রিজার্ভ ২ হাজার ৩৪৪ কোটি (২৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন) ডলার। ১৯ জুলাই দেশের রিজার্ভ দাঁড়ায় ২ হাজার ৯৮৫ কোটি ডলার (২৯ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন) ডলার। তবে আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের প্রকৃত রিজার্ভে ৬৪০ কোটি ডলার বাদ দেয়া হয়েছে। সে কারণে প্রকৃত রিজার্ভ নেমে দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে। প্রতি মাসে ৬ বিলিয়ন ডলার হিসাবে এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৪ মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে বাংলাদেশ।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন