মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নেতানিয়াহু ‘নিহতের’ খবর, যা জানাল ইসরাইলি মিডিয়া বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ঈদে তিন দিনব্যাপী উৎসব ঘোষণা এনসিপির বাংলাবাজার পত্রিকা.কম টিএসসিতে দুই নারীকে লাঞ্ছিত: ঢাবির তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে ডেপুটি স্পিকার পদ নেবে না বিরোধী দল: শিশির মনির বাংলাবাজার পত্রিকা.কম পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে পদ হারালেন জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নিজের উপদেষ্টাকে মন্ত্রী বানাতে জামায়াত আমিরের অনুরোধ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম প্রসিকিউটদের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না: চিফ প্রসিকিউটর বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ঈদে পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে সংবাদপত্র বাংলাবাজার পত্রিকা.কম জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না: প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের অনুদান দেবে সরকার

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার বহাল

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার বহাল

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার বহাল রেখেছে অন্তর্বর্তী সরকার। 

মঙ্গলবার (১১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ২০০৩ সালে দেওয়া স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) সুপ্রিম কোর্টের যে রায়ের পটভূমিতে ২০১৬ সালে সরকার বাতিল করে, ওই রায়ে তাকে প্রদত্ত স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের কোনো নির্দেশনা না থাকায় মহান মুক্তিযুদ্ধে তার অসাধারণ অবদান বিবেচনায় তার স্বাধীনতা পুরস্কার বাতিলের এ সিদ্ধান্ত সরকার রহিত করেছে।

২০১৬ সালে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার। পরে জাতীয় জাদুঘর থেকে তার পুরস্কারের মেডেল ও সম্মাননাপত্র সরিয়ে ফেলা হয়।




এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একই বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।



যেসব ব্যক্তিকে এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হবে 


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর), শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্যে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।


সম্পাদক : আবদুল মাতিন