বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম গোল পেলেন না মেসি, জিততে পারলো না মায়ামিও বাংলাবাজার পত্রিকা.কম বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য তদন্ত শুরু বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নাহিদ ইসলামের আসনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম যুদ্ধ বন্ধে তিন শর্ত দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট বাংলাবাজার পত্রিকা.কম জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ ৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট, আছে ৫ আগস্ট বাংলাবাজার পত্রিকা.কম রাশিয়া থেকে তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি চাইল বাংলাদেশ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম 'না বুঝে সরকারকে কোনও সহযোগিতা করবে না জামায়াত' বাংলাবাজার পত্রিকা.কম 'জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিয়েছি, এটাতে জাতীয়ভাবে সম্মত থাকতে হবে' বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ববি হাজ্জাজের আসনের ব্যালট-রেজাল্ট শিট হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১৪ মার্চ থেকে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু: প্রধানমন্ত্রী

সবজির দামে উত্তাপ, মাংসের দরও বাড়তি

সবজির দামে উত্তাপ, মাংসের দরও বাড়তি

বাজারে উত্তাপ কমছে না সবজির, একই চিত্র মাংসেও। গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে পণ্যগুলো।

শনিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর রামপুরা এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের মূল্যেই। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৯০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করল্লা কেজিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে পটলের দাম কিছুটা কমেছে। প্রতিকেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

অপরদিকে মাংসের দামও বাড়তির দিকেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। এছাড়া সোনালি মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২২৫ টাকায়, লেয়ার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়।

অন্যদিকে গত সপ্তাহের মতো একই দাম বজায় রয়েছে গরু ও খাসির বাজারে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায়।

বাজারে আসা ক্রেতা আমিনুল হোসেন বলেন, সবকিছুর দাম কেবল বাড়েই, কমে না। একটা জিনিসের দাম কমলেও আরেকটার দাম বেড়ে যায়। একটু স্বস্তিতে বাজার করার উপায় নেই।

আরেক ক্রেতা বদরুল ইসলাম বলেন, আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য রোজকার কেনাকাটা কঠিন হয়ে পড়ছে। সবকিছুর দাম বেশি। অল্প কয়েকটা জিনিস কিনতেই সব টাকা শেষ হয়ে যায়, আমরা চলবো কীভাবে?

বাড়তি দামের বিষয়ে বিক্রেতা আল আমিন বলেন, আমাদের এখন পাইকারি বাজার থেকেই কেনা বেশি পড়তেছে। বৃষ্টির কারণে নাকি সাপ্লাই কমে গেছে, তাই বাড়তি দাম। কেনা বেশি পড়লে তো আমাদের কম দামের বিক্রির সুযোগ নেই।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন