মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নেতানিয়াহু ‘নিহতের’ খবর, যা জানাল ইসরাইলি মিডিয়া বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ঈদে তিন দিনব্যাপী উৎসব ঘোষণা এনসিপির বাংলাবাজার পত্রিকা.কম টিএসসিতে দুই নারীকে লাঞ্ছিত: ঢাবির তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে ডেপুটি স্পিকার পদ নেবে না বিরোধী দল: শিশির মনির বাংলাবাজার পত্রিকা.কম পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে পদ হারালেন জামায়াত আমিরের উপদেষ্টা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নিজের উপদেষ্টাকে মন্ত্রী বানাতে জামায়াত আমিরের অনুরোধ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম প্রসিকিউটদের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না: চিফ প্রসিকিউটর বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ঈদে পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে সংবাদপত্র বাংলাবাজার পত্রিকা.কম জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না: প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষক-কর্মচারী-শিক্ষার্থীদের অনুদান দেবে সরকার

সবজির দামে উত্তাপ, মাংসের দরও বাড়তি

সবজির দামে উত্তাপ, মাংসের দরও বাড়তি

বাজারে উত্তাপ কমছে না সবজির, একই চিত্র মাংসেও। গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে পণ্যগুলো।

শনিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর রামপুরা এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের মূল্যেই। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৯০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করল্লা কেজিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে পটলের দাম কিছুটা কমেছে। প্রতিকেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

অপরদিকে মাংসের দামও বাড়তির দিকেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। এছাড়া সোনালি মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২২৫ টাকায়, লেয়ার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়।

অন্যদিকে গত সপ্তাহের মতো একই দাম বজায় রয়েছে গরু ও খাসির বাজারে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায়।

বাজারে আসা ক্রেতা আমিনুল হোসেন বলেন, সবকিছুর দাম কেবল বাড়েই, কমে না। একটা জিনিসের দাম কমলেও আরেকটার দাম বেড়ে যায়। একটু স্বস্তিতে বাজার করার উপায় নেই।

আরেক ক্রেতা বদরুল ইসলাম বলেন, আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য রোজকার কেনাকাটা কঠিন হয়ে পড়ছে। সবকিছুর দাম বেশি। অল্প কয়েকটা জিনিস কিনতেই সব টাকা শেষ হয়ে যায়, আমরা চলবো কীভাবে?

বাড়তি দামের বিষয়ে বিক্রেতা আল আমিন বলেন, আমাদের এখন পাইকারি বাজার থেকেই কেনা বেশি পড়তেছে। বৃষ্টির কারণে নাকি সাপ্লাই কমে গেছে, তাই বাড়তি দাম। কেনা বেশি পড়লে তো আমাদের কম দামের বিক্রির সুযোগ নেই।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন