মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

ভোটের আগে-পরে চারদিন হাসপাতাল প্রস্তুত রাখার নির্দেশ

ভোটের আগে-পরে চারদিন হাসপাতাল প্রস্তুত রাখার নির্দেশ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত চারদিন দেশের সব বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে স্বাস্থ্য সেবা চালু রাখার পাশাপাশি ‘যে কোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতি’ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালককের স্বাক্ষরে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে দেশের সব বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে।

চিঠিতে বলা হয়, শুক্রবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জনাব জাহিদ মালেকের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এবং এরপর যে কোনো ধরনের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় শনিবার থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সব বেসরকারি ক্লিনিক, হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকতে হবে। যে কোনো রোগীকে সরকারি হাসপাতালে রেফার করার ক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে, সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে যোগাযোগ করে অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। রোববার দেশের ২৯৯ আসনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে। এই ভোট ঠেকাতে শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার হরতাল।

এ কর্মসূটির মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে আগুন দেয়া হচ্ছে, ঢাকায় বেনাপোল এক্সপ্রেসে নাশকতার আগুনে প্রাণ গেছে চারজনের। এছাড়া দেশের অধিকাংশ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থীর বিপরীতে দলীয় নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় সহিংসতার ঘটনা ঘটছে প্রচারপর্ব থেকেই। তারা জয় পেতে মরিয়া হয়ে উঠলে ভোটের দিনও সংঘাতের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমুহের পরিচালক আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় মানুষের চলাফেরা বেড়েছে, ভোটাররা তাদের এলাকায় যাচ্ছে। সরকারি হাসপাতালগুলোর পক্ষে সব এলাকার রোগীদের সেবা দেয়া সম্ভব হয় না। এজন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে একটু সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। আমরা প্রধানত জোর দিয়েছে রোগীকে রেফার করার ক্ষেত্রে। রেফার করার সময় দেখা যায় হঠাৎ করে পাঠিয়ে দেয় এক জায়গায়, রোগীও বোঝে না কোথায় পাঠাচ্ছে। রেফার করার সময় যেন তারা একটু কেয়ারফুল থাকে এ বিষয়টি সবাইকে বলেছি।

সম্পাদক : জোবায়ের আহমেদ