সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল বাংলাবাজার পত্রিকা.কম চকলেটের তৈরি আস্ত ট্রেন, গড়ল নতুন বিশ্ব রেকর্ড বাংলাবাজার পত্রিকা.কম শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ১৮ মাস পর নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরলেন ড. ইউনূস বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সংসদ বসছে ১২ মার্চ, নির্বাচিত হবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রামকে এক করে দেখা ঠিক হবে না’ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নতুন সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে চাই: প্রণয় ভার্মা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম রাজনৈতিক হয়রানিমূলক সহস্রাধিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম মাদারীপুরে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, ৪ ঘণ্টায় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

‘আপা’ বলায় ক্ষেপে রোগীকে বের করে দিলেন চিকিৎসক

‘আপা’ বলায় ক্ষেপে রোগীকে বের করে দিলেন চিকিৎসক

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ‘আপা’ বলায় রোগীর ওপর ক্ষেপে রুম থেকে বের করে দিয়েছেন এক চিকিৎসক। ‘আপা’ নয় তাকে ‘ম্যাডাম’ ডাকতে হবে, বলেন ওই চিকিৎসক।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

শেরপুর পৌর শহরের নয়নী বাজার মহল্লার বাসিন্দা ভুক্তভোগী কাজী মাসুম বলেন, দুপুর ২টার দিকে ১১ বছর বয়সী মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস মামিয়ার পেটব্যথা নিয়ে জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যাই। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক অনন্যা জরুরি কিছু ওষুধ লিখে দেন। হাসপাতালে সরবরাহ না থাকায় ওষুধগুলো বাইরে আনতে যাই। কিন্তু হাসপাতাল রোডের প্রায় ছয়-সাতটি দোকান খুঁজেও একটি ওষুধ পাওয়া যায়নি। ফলে আবারও জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসারের ফিরে আসি। সেখানে গিয়ে দেখি আগের ডাক্তার অনন্যা ডিউটি শেষ করে চলে গেছেন। পরবর্তী ডিউটিতে আছেন চিকিৎসক মারজিয়া খাতুন। এসময় বিনয়ের সঙ্গে চিকিৎসক মারজিয়াকে আপু ডেকে বলি, ‘আগের চিকিৎসক যে ওষুধ দিয়েছিল সেখানকার একটি ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। সেটার পরিবর্রতে অন্য কোনো ওষুধ দেওয়া যায় কি না।’

এসময় মারজিয়া ‘আপু’ শব্দটি শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। উচ্চস্বরে বলেন, ‘আপু বলছেন কেন, ম্যাডাম’ ডাকতে সমস্যা কোথায়। আমি একজন মেডিকেল অফিসার। যান, বের হয়ে যান।’


এদিকে অসুস্থ মেয়ের কান্নাকাটি দেখে, রোগীর অভিভাবক মাসুম ফের বলেন, ‘আপু ডেকে কি দোষ করেছি। সেবাটা অন্তত দেন। কিন্তু এতেও সে আরও রাগান্বিত হয়ে কয়েক দফা ধমক দিয়ে তার রুম থেকে বের করে দেন।


এ বিষয়ে চিকিৎসক মারজিয়া বলেন, আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ছাড়া কারও সঙ্গে কোনো কথা বলবো না।


হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার তাহেরাতুল আশরাফি বলেন, বিষয়টি শুনেছি, হয়তো ভুলক্রমে তিনি এ কথা বলেছেন। তবে আমাদের অফিসিয়ালি অভিযোগ বা সরাসরি কথা বললে শনিবার আসতে হবে।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন