তাসনিম জারার পর এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহ। তিনি দলটির যুগ্ম আহ্বায়কের পাশাপাশি পলিসি ও রিসার্চ উইংয়ের প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর লেখা এক চিঠিতে খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমি এনসিপির সব পদ ও দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করছি।’ চিঠিতে তিনি আর কিছুই লেখেননি। এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকেও এই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রোববার বিকেলে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী আসন সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে। ওই আলোচনা চূড়ান্ত হলে আগের দিন এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন তাসনিম জারা। তিনি দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনে এনসিপির মনোনীত প্রার্থীও ছিলেন তিনি।
এনসিপি থেকে পদত্যাগের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন তাসনিম জারা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী ছিলেন তাসনিম জারা। আর স্বতন্ত্র প্রার্থিতার জন্য স্বাক্ষর সংগ্রহ ও মনোনয়নপত্র জমার প্রক্রিয়ায় তাসনিম জারার সঙ্গেই ছিলেন খালেদ সাইফুল্লাহ। তিনিও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর করেছেন।
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির নির্বাচনী সমঝোতাকে কেন্দ্র করে তাসনিম জারা, খালেদ সাইফুল্লাহসহ এখন পর্যন্ত অন্তত আট জন নেতার পদত্যাগ করলেন। এর বাইরে অন্তত পাঁচ জন নেত্রী এ বিষয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজন এনসিপির মনোনীত প্রার্থী হয়েও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম





















