ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে নেই এবং তাকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স একজন কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে খবর দিয়েছে।
ওদিকে বিবিসি আরবি বিভাগ জানিয়েছে, তেহরানে খামেনির সদরদপ্তর ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদের কাছেই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ইসনা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, খামেনির সদরদপ্তর ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদ যেখানে তার আশেপাশে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে ‘প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সুস্থ রয়েছেন এবং কোনো সমস্যা নেই’। একই তথ্য প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি ও ইসনা নিউজ এজেন্সি।
এএফপি জানিয়েছে, ব্যাপকভাবে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, নিরাপত্তা চেকপোস্ট বসানো হয়েছে এবং সাধারণত জনবহুল এমন এলাকায় সড়কগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।
সাংবাদিকরা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন, তবে সেটি কি বিমান হামলার কারণে নাকি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা হয়েছে তা নিশ্চিত নয়।
তেহরানের বিভিন্ন অংশ, বিশেষ করে দক্ষিণ ও পশ্চিমে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে।
কাতারের রাজধানী দোহায় বিস্ফোরণ এবং বিমান হামলার সতর্কতা সংকেত শোনা গেছে।
কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, তারা দেশের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে চালানো একাধিক হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে।
একজন কাতারি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।
উল্লেখ্য, কাতারে অবস্থিত আল উদেইদ ঘাঁটিটি এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক স্থাপনা।
ডেস্ক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম


















