দেশের সিনিয়র সাংবাদিক ও লেখক আনিস আলমগীরকে ফোন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি কারামুক্তির পর ঈদের দিন শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী এ সময় দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দেশ গঠনের কাজে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
টেলিফোন আলাপে আনিস আলমগীর প্রধানমন্ত্রীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে তার কারামুক্তির ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতার বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
গত বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করে আদালত। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলাতেই তিনি জামিন লাভ করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) নেওয়া হয়। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর তাকে উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পরে তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত ৫ মার্চ উচ্চ আদালত তাকে জামিন প্রদান করেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তারে সাংবাদিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন ও গণমাধ্যমকর্মীরা তার মুক্তির দাবিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি কারামুক্ত হন।
দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনের পরিচিত মুখ আনিস আলমগীর। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত । তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশনে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবেও পরিচিত।
এছাড়া জাতীয় ঈদগাহে আজ রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়ার দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে তিনি লিখেন, ড. ইউনূস এই দৃশ্য দেখার সুযোগ দেননি, প্রতিহিংসা ও বিভক্তিতে সমাজকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম

















