মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম রাজশাহীতে সারের জন্য হয়রানি, বদলি ডিডি বাংলাবাজার পত্রিকা.কম হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি এড়াতে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের চেয়েও যা জরুরি বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কারিনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন, যা জানা গেল বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যা সমাধানে বেইজিং যাচ্ছেন অজিত দোভাল বাংলাবাজার পত্রিকা.কম গুম-খুন-নির্যাতনের শিকার ব্যক্তি-পরিবারের জন্য হচ্ছে অধিদপ্তর বাংলাবাজার পত্রিকা.কম জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ, শুরু ৮ ডিসেম্বর বাংলাবাজার পত্রিকা.কম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম আগস্টের ২২ দিনে প্রবাসী আয়ে ২৫.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাংলাবাজার পত্রিকা.কম জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে কমেছে রপ্তানি আয়

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকে কমেছে রপ্তানি আয়

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-জুন সময়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাতের মোট রপ্তানি আয় ছিল ৩৮.৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১.৬৪ শতাংশ কম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে হিস্যা আরও কমেছে।


ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের একক বৃহত্তম গন্তব্য হিসেবে অবস্থান ধরে রাখলেও সেখানে রপ্তানি ৩.৩১ শতাংশ কমে ১৯.০৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। এর ফলে মোট রপ্তানিতে এই অঞ্চলের হিস্যা আগের বছরের ৫০.১০ শতাংশ থেকে কমে ৪৯.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে—যা স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে বাংলাদেশের উত্তরণের আগে বাজার বৈচিত্র্যকরণের প্রয়োজনীয়তার একটি ইঙ্গিত।


যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যে প্রবৃদ্ধি- বাংলাদেশের অন্যান্য প্রথাগত বাজারের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন; এসব বাজারে রপ্তানি বেড়েছে: যুক্তরাষ্ট্র: ৭.৭৪ বিলিয়ন ডলার (২.৬৩% বৃদ্ধি), যার ফলে মোট রপ্তানিতে দেশটির হিস্যা ১৯.১৮ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০.০১ শতাংশ হয়েছে। যুক্তরাজ্য: ৪.৩৯ বিলিয়ন ডলার (০.৯১% বৃদ্ধি), যার ফলে হিস্যা সামান্য বেড়ে ১১.৩৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কানাডা: ১.৩৪ বিলিয়ন ডলার (৩.২০% বৃদ্ধি), যার ফলে হিস্যা বেড়ে ৩.৪৭ শতাংশ হয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডা—এই তিন দেশের সম্মিলিত রপ্তানি এখন মোট রপ্তানির ৩৫ শতাংশেরও বেশি, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে রপ্তানি হ্রাসের প্রভাব কিছুটা পুষিয়ে দিয়েছে।


অ-প্রথাগত বাজারেও রপ্তানি কমেছে- জাপান, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া, তুরস্ক ও উপসাগরীয় দেশগুলোর মতো অ-প্রথাগত বাজারে রপ্তানি ৪.২৫ শতাংশ কমে ৬.১৬ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে এবং এসব বাজারের সামগ্রিক হিস্যা ১৬.৩৬ শতাংশ থেকে কমে ১৫.৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি এই অঞ্চলগুলোতেও রপ্তানি হ্রাস পাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত দেয় যে, বছরের এই নিম্নমুখী প্রবণতা কেবল বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বাজারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। পণ্যের ধরন: নিট পণ্যের তুলনায় ওভেন পণ্যের রপ্তানি হ্রাসের হার কম।


বিভাগ অনুযায়ী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নিটওয়্যার রপ্তানি ২.৫৩ শতাংশ কমেছে; অন্যদিকে ওভেন পণ্যের রপ্তানি তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল এবং কমেছে মাত্র ০.৬১ শতাংশ। এর মাধ্যমে সেই প্রবণতাই অব্যাহত রইল, যেখানে চলতি অর্থবছরের অধিকাংশ সময়জুড়েই নিট পণ্যের তুলনায় ওভেন পণ্যের রপ্তানি ভালো অবস্থানে ছিল।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন