রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪

রিজিয়া বেগমের স্বপ্ন এবং স্বপ্নীল মন

রিজিয়া বেগমের স্বপ্ন এবং স্বপ্নীল মন

স্বপ্ন এবং স্বপ্নীল মন

-রিজিয়া বেগম

মানুষের চোখের গভীরতা হয় বুঝি,
সাগরের চেয়েও বেশি?
মানুষের চোখের স্বপ্ন কি
আকাশের সীমানাকেও হার মানায়?
মানুষের স্বপ্নলোকের
উজ্জ্বল আলোর বিচ্ছুরণ;
হীরকের চেয়েও বেশি কি দ্যোতি ছড়ায়?
অথচ কি অদ্ভূত!
এই গভীর চোখেতো নেই
গভীর ছায়ার অন্ধকার।
স্বচ্ছলোকের স্বচ্ছতায়
এর গভীরতার রহস্য
দিবালোকের মতো
স্পষ্ট থেকে আরও স্পষ্টতর!
আশ্চর্য!
এই স্বচ্ছজলের অতল দেখেও
কি নির্দ্বিধায় স্বপ্নকে হত্যা করা যায়!
সীমাহীন অসীম স্বপ্ন দেখা সম্ভব জেনেও
ঐ চোখেতো ছিল না
স্বপ্ন ততটা বিশাল।
একটা মায়ার ছায়া,একটু ভালবাসা
আর কেবল একটু বিশ্বাস।
একটা নির্ভরতার জীবনও
চাওয়ার ছিল বুঝি!
যাইহোক!
ও-টা বুঝি অসীম স্বপ্নের চেয়ে
আরও বিশাল?
হয়তোবা!
কি অপার বিস্ময় এই চোখে!
কত স্বচ্ছ আলোর বিচ্ছুরণ!
আশ্চর্য বৈকি।
আলোর এই দ্যোতির দিকে
তাকিয়েও মানুষ শঠতায় ডুবে।
বুকে লাগে না এতটুকু কাঁপন।
বিশ্বাস নিয়ে শঠতার পাপ
আকাশ ভেঙ্গে নামবে না কি
একদিন মাথার 'পরে?
বুকে ফুঁড়ে দিবে না কি একদিন,
সত্যের দ্যোতির তীর?
এক জীবন, দুই জীবন, তিন জীবন.....
এক সমুদ্র, দুই সমুদ্র, তিন সমুদ্র.....
এক আকাশ, দুই আকাশ,তিন আকাশ....
কতটা নষ্ট করা যায়?
অপমৃত্যু ঘটানো যায় কত,
আর কত স্বপ্নের??
কতটা অভিশপ্ত হতে পারে
এক মাথা?
জানি না!
জানতে চাই না আর
এই পৃথিবীর অলিতে গলিতে !
চোখের ক্ষমতাতেও কি অপার রহস্য!
সে ভেঙ্গে চুরচুর স্বপ্নে মাড়ায় না
এক পাও।
সে কেবল দেখে
ঘন কুয়াশায় অচিন পথের 'পরে
এক ফালি রোদ্দুর!
সেই পথের দূর সমাপ্তিতে
একটি মায়ায় ঘেরা ছোট্ট ঘর!
ঘরে পৌঁছানোর বাঁধাতে
বয়ে চলা একটা ছোট নদী!
এপারে এক ছোট্ট নৌকা!
নৌকাতে একা বসে থাকা
অসীম সাহসে;
ভাবনার চেয়েও বিশাল স্বপ্ন নিয়ে।
পেরুতে হবে রূপান্তরিত নদী;
এখন যা উত্তাল সমুদ্র।
সফেন সমুদ্র দিতে হবে পাড়ি,
লক্ষ্য, সে তো
স্বপ্নীল ঐ ঘরের মায়াময় আবাস।

সম্পাদক : জোবায়ের আহমেদ নবীন