দক্ষিণী তারকা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে বিজয়ের ফলোয়িং তালিকায় কারও নাম না থাকায় তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে। কেউ কেউ বিচ্ছেদের গুঞ্জনও তুলেছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসরণ করার হিসাব থেকে তাদের সম্পর্কে কোনো সমস্যা রয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর কোনো প্রমাণ নেই।
সম্প্রতি বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে দেখা যায়, তিনি কোনো অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করেন না। সেই তালিকায় স্ত্রী রাশমিকাও নেই। অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে অনুসরণ করছেন। ফলে দুজন পরস্পরকে আনফলো করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন দাবির সঙ্গে প্রোফাইলের তথ্যের মিল নেই।
এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এক ব্যবহারকারী দাবি করেন, বিজয় ও রাশমিকা একে অন্যকে আনফলো করেছেন। তাদের সম্পর্কের মধ্যে কোনো সমস্যা তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তবে আরেক ব্যবহারকারীর বক্তব্য, তারা কখনোই পরস্পরকে অনুসরণ করতেন না। অন্য একজন সতর্ক করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাউকে আনফলো করলেই যে সম্পর্কে সমস্যা রয়েছে, তা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। বিজয়ের ফলোয়িং তালিকায় কারও নাম না থাকাকে কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়ালেও, এটি তাদের দাম্পত্যে টানাপোড়েনের প্রমাণ নয়।
ইনস্টাগ্রাম নিয়ে এই আলোচনার মধ্যে নতুন করে সামনে এসেছে ‘কফি উইথ করণ ৯’ অনুষ্ঠানে বিজয় ও রাশমিকার উপস্থিতির প্রসঙ্গ। সেখানে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাশমিকা জানান, প্রায় এক বছর ধরে তিনি বিজয়কে বিয়ের কথা বলেছিলেন। সেই সময়ের কথা স্মরণ করে রাশমিকা বলেন, তিনি বিজয়কে বলতেন, চলো, বিয়ে করি।
রাশমিকার এই বক্তব্যের পর বিজয় রসিকতা করে বলেন, এ কথা প্রকাশ্যে আসায় তাকে নিয়ে ট্রল করা হবে। পরে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। তাদের সম্পর্ক কীভাবে বিয়ের দিকে এগিয়েছে, তা নিয়ে কেউ কেউ বিজয়কে সমালোচনাও করেন।
এখন পর্যন্ত বিজয় ও রাশমিকার সম্পর্কের অবনতি কিংবা বিচ্ছেদের বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি। তাদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের তথ্য অনুযায়ী, বিজয় কাউকেই অনুসরণ করেন না, অন্যদিকে রাশমিকা এখনো তাকে অনুসরণ করছেন। তাই শুধু ইনস্টাগ্রামের ফলোয়িং তালিকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো মন্তব্যের ভিত্তিতে তাদের দাম্পত্যে সমস্যা বা বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে সত্য বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
সূত্র: এবিপি লাইভ
ডেস্ক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম























