সমালোচকদের আরও একবার ভুল প্রমাণ করলেন জো রুট। সিডনিতে অ্যাশেজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টের প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করলেন তিনি। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারে ৪১তম শতক। নবম ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ১৫ চারে ১৬০ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। অলআউট হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের বোর্ডে যোগ হয়েছে ৩৮৪।
এই শতকে রুট ছুঁয়ে ফেলেছেন অজিদের সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংকে। যৌথভাবে তালিকার তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন তিনি। ২০০ ম্যাচে ৫১ শতক নিয়ে শীর্ষে শচিন টেন্ডুলকার। ১৬৬ ম্যাচে ৪৫ সেঞ্চুরি নিয়ে দুইয়ে জ্যাক ক্যালিস। তিনে থাকা রুট ১৬৩ ম্যাচে ৪১টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন আর পন্টিং ১৬৮ ম্যাচে। ৩৮ সেঞ্চুরি নিয়ে চতুর্থ স্থানে কুমার সাঙ্গাকারা।
এবারের অ্যাশেজের আগে ফর্ম নিয়ে সমালোচনার শিকার হচ্ছিলেন তিনি। বিশেষ কর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সেঞ্চুরি না থাকায়। সেই খরা কাটান ব্রিসবেনে দিবা-রাত্রির টেস্টে। এবার অনবদ্য এক শতক হাঁকালেন তারই ধারাবাহিকতায়। যদিও সিরিজ পরাজয় আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে ইংল্যান্ডের।
এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে আরও একটি রেকর্ড গড়েছেন রুট। ১৯৯৪/৯৫ মৌসুমের পর অ্যাওয়ে অ্যাশেজে একাধিক সেঞ্চুরি করা ইংল্যান্ডের চতুর্থ ক্রিকেটার তিনি। এই তালিকায় আগে রয়েছেন মাইকেল ভন (৩টি), অ্যালিস্টার কুক (৩টি) এবং জোনাথান ট্রট (২টি)।
২০২১ সাল থেকে টেস্ট ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত রুটের নামের পাশে আছে ২৪ সেঞ্চুরি। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো নিজের শেষ পাঁচটি টেস্ট অর্ধশতককে রূপান্ত করেছেন সেঞ্চুরিতে।
এর আগে ২০২২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যেও টানা চারবার এমন কীর্তি গড়েছিলেন রুট।
খুব কাছে রয়েছেন ইংল্যান্ডের হয়ে টানা হাফ-সেঞ্চুরি থেকে সেঞ্চুরিতে রূপান্তরের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছোঁয়ারও। এই কীর্তি গড়েছেন মার্কাস ট্রেসকথিক, অ্যান্ড্রু স্ট্রস ও অ্যালাস্টার কুকও। রুট এখন সেই রেকর্ডের একেবারে দোরগোড়ায়।
খেলা | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম
























