বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

অভিমান ভুলে নির্বাচনি প্রচারে নুসরাত

অভিমান ভুলে নির্বাচনি প্রচারে নুসরাত

তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিট নিয়ে লোকসভা নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন ভারতীয় বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। তারপর রাজনৈতিক অঙ্গনে গ্ল্যামারের রং ছড়ালেও কাজের কাজ খুব একটা করেননি বলে দাবি অভিনেত্রীর নিন্দুকদের।  


২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট পাননি নুসরাত। এমনকি, দলের প্রচারে যেসব তারকারা ছিলেন, সেই তালিকায়ও ছিলেন না তিনি। ফলে দলের উপর খানিকটা অভিমান হয়েছিল তার। তবে সব মান-অভিমান ভুলে চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে দলের পাশে দাঁড়ালেন নুসরাত জাহান। বিধানসভা নির্বাচনে যেসব তারকারা প্রচারে অংশ নেবেন, সেই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন এই অভিনেত্রী। 


হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইতোমধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকা জমা দিয়েছে তৃণমূল। মমতা-অভিষেকের পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছেন—দেব, শত্রুঘ্ন সিনহা, রচনা ব্যানার্জি, সায়ন্তিকা ব্যানার্জি, সায়নী ঘোষ, নুসরাত জাহান, কোয়েল মল্লিক প্রমুখ। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি প্রচারের মাঠে থাকবেন বিনোদন ও ক্রীড়া অঙ্গনের একঝাঁক তারকা। রয়েছেন প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠান, কীর্তি আজাদও।  


লোকসভা নির্বাচনে নুসরাত জাহান কেন টিকিট পাননি তা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে নানা কথা উড়েছে। অনেকে মনে করেন, রাজনৈতিক বিষয় ছাড়াও নুসরাতের ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিতর্ক নুসরাতের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলেছে। বিশেষ করে নিখিল জৈনর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ, যশ দাশগুপ্তর সঙ্গে নুসরাতের সম্পর্ক, তাকে বিয়ে না করেও সন্তানের জন্ম দেওয়া নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। 


বসিরহাট আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন নুসরাত জাহান। লোকসভা নির্বাচনে এই আসনে বিজয়ী হওয়া তুলনামূলকভাবে কঠিন। নুসরাত জাহান ভোটে জেতার পর, একাধিকবার অশান্ত হয়েছে এই সংসদীয় এলাকা। নিজ কেন্দ্র যখন অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, তখন নুসরাত ব্যস্ত ছিলেন ভালোবাসা দিবস উদযাপন নিয়ে। নুসরাতের টিকিট না পাওয়ার এমন নানা কারণ সামনে এসেছে।  

সম্পাদক : আবদুল মাতিন