দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে উঠতে গিয়ে পদ্মায় পড়ে যাওয়া বাসটি পন্টুনের নিচে চলে গেছে। যে কারণে বাসের জানালা ও দরজা ভাঙা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ডুবুরি দলের সদস্যরা।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩নং ঘাটের পন্টুনে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি নদীতে পড়ে যায়।
বাসটি পড়ে যাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাসে আটকে পড়াদের স্বজনরা।
ডুবুরি দলের সদস্যরা জানিয়েছেন, বাসটি পন্টুনের নিচে আছে। যে কারণে বাসটির দরজা ও জানালা ভেঙে তারা ভেতরে ঢুকতে পারছেন না। তবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে দুর্ঘটনার অনেক পরে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দলও এক ঘণ্টার বেশি সময় পর উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন।
সৌহার্দ্য বাসে থাকা আবদুল আজিজুল নামে এক যাত্রী জানান, তিনি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার গান্ধীমারা এলাকা থেকে এই বাসটিতে উঠেছিলেন। নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি সাঁতরে উপরে উঠতে পারলেও তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।
বাসটি কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে এসেছিল। খুবই অল্প সংখ্যক যাত্রী সাঁতরে উপরে উঠতে পেরেছেন বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেছে। পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট থেকে আমাদের ডুবুরি দল আসছে। তারা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেবে।
এদিকে, ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা সদর দফতার থেকে আরও ডুবুরি টিম ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
বিশেষ প্রতিনিধি | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম

















