মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শিশু আসমাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

শিশু আসমাকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড


নোয়াখালীর চাটখিলে পাঁচ বছরের শিশু আসমা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একমাত্র আসামি শাহাদাতের (২৬) ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। একইসাথে তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। 


সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আকতার এই রায় ঘোষণা করেন। 


নিহত আসমা উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মৃধা বাড়ির বাসিন্দা মাওলানা শাহজাহানের মেয়ে। মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে।


মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আসমা। ঘটনার ৯ দিন পর বাড়ির পেছনের সেপটিক ট্যাংকি থেকে আসামির তথ্যের ভিত্তিতে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শাহাদাতকে গ্রেফতার করা হয়।


তদন্ত চলাকালে শাহাদাত আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানায়, বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে আসমাকে ধর্ষণ করে শাহাদাত। ধর্ষণের পর ঘটনা প্রকাশ হয়ে পড়ার আশঙ্কায় সে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে এবং লাশ সেপটিক ট্যাংকিতে ফেলে রাখে।


উল্লেখ্য, ঘটনার পর পুরো নোয়াখালীজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয়রা শুরু থেকেই দ্রুত বিচার ও আসামির ফাঁসির দাবি জানিয়ে আসছেন।


রায় ঘোষণা শেষে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি এডভোকেট সেলিম শাহী জানান, এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।  আমরা আশা করবো এই রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন