ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে কাঁচা মরিচের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে ভারত থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়েছে।
সোমবার প্রথম চালানে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে একটি ভারতীয় ট্রাকে ৯ টন ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ দেশে প্রবেশ করে।
বন্দরের সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর রাতেই আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়। এ চালানের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান শিমু এন্টারপ্রাইজ। আর বন্দর থেকে খালাস কার্যক্রম পরিচালনা করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট শিমু শিপিং লাইন্স।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামিম হোসেন বলেন, “মরিচবাহী ট্রাক বন্দরে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুত কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সীমান্তের ওপারে আরও কয়েকটি ট্রাক কাঁচা মরিচ নিয়ে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে।”
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা থেকে ৩৬০ টাকায়। অথচ গত সপ্তাহেও একই মানের কাঁচা মরিচ বিভিন্ন বাজারে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।
বিক্রেতারা বলছেন, ‘‘দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বন্যার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পাশাপাশি পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমে যাওয়ায় কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে।’’
এমন পরিস্থিতিতে কাঁচা মরিচ আমদানির ওপর বিদ্যমান কর কমানো হচ্ছে এবং কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতিও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ।
মরিচ আমদানিকারক শাহজাহান জানান, প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ আমদানিতে তাঁর মোট খরচ পড়েছে প্রায় ১৩৫ টাকা।
তিনি বলেন, “আমদানি বাড়লে বাজারে মরিচের দাম কমে আসবে। তবে কাস্টমসের হয়রানি ও পণ্য ছাড়করণে জটিলতার কারণে রাজস্ব বেশি গুনতে হচ্ছে।”
এতে আমদানিকারকরা লোকসানের মুখে পড়ছেন এবং আমদানি খরচ বেড়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন শাহজাহান।
বেনাপোল বন্দরের কাঁচাবাজারে সোমবার প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম


















