বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

দ. আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের ড্র

দ. আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের ড্র

জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৪১১ রান। শেষ দিনে হাতে ছিল ১০ উইকেট, কিন্তু ৭০ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসেছিল বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। সেখান থেকে জয়ের স্বপ্ন তো দূরের কথা, ম্যাচ বাঁচানোই হয়ে উঠেছিল বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সেই চ্যালঞ্জে দারুণভাবে উতরে গেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। আর সেই কৃতিত্বটা মূলত অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন অলরাউন্ডার আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও স্পিনার নাঈম হাসানের।


দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের বিপক্ষে প্রথম চার দিনের ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ড্র করতে পেরেছেন বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। বুধবার চতুর্থ দিন শেষে ৬ উইকেটে ২৪৪ রান করে বাংলাদেশ। ১৫ রানে বিনা উইকেটে দিন শুরু করা সফরকারীরা শেষ দিনে যোগ করেছে ২২৯ রান। দ্রুত উইকেট হারানোর কারণে জয়ের উদ্দেশ্যে ব্যাটিংও করতে পারেনি বাংলাদেশ।

দিনের শুরুতেই শাহাদাত হোসেন ও অধিনায়ক জাকির হাসানের বিদায়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর মাহফিজুল ইসলাম ৪১ রানে ফিরলে এবং ইফতেখার হোসেন ইফতি ও চৌধুরি মোহাম্মদ রিজওয়ান শূন্য রানে বিদায় নিলে স্কোর হয়ে যায় ৫ উইকেটে ৭০। তখন বাংলাদেশের সামনে ম্যাচ বাঁচানোর লড়াইটাই সবচেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায়।


সেখান থেকেই শুরু মাহিদুল-আমিনুলের প্রতিরোধ। ষষ্ঠ উইকেটে ২৬৫ বলে ১০৫ রানের জুটি গড়ে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন দুজন। দ্বিতীয় সেশনে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ।


তৃতীয় সেশনের শুরুতে আমিনুল ফিরলেও তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করে যান। ১৭৪ বলে ১২ চার ও ৭৪ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর মাহিদুলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন নাঈম হাসান। শেষ পর্যন্ত আর কোনো বিপদ হতে দেননি দুজন।


সপ্তম উইকেটে ১৪০ বলে ৬৯ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে দিন পার করেন মাহিদুল ও নাঈম। মাহিদুল ২০৮ বলে ৭ চারে ৪৮ রানে এবং নাঈম ৭৯ বলে ৭ চারে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন।অঙ্কন প্রথম ইনিংসেও করেছিলেন ৯৭ রান। 


দুই দলের সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ চার দিনের ম্যাচ শুরু হবে আগামী রোববার।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন