মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম আগামী বছর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম কীসের আশঙ্কায় খাবার পানি ও ওষুধ মজুতের পরামর্শ দিচ্ছে বিভিন্ন দেশ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম এআইভিত্তিক কম্পিউটার ও ল্যাপটপ আনল গিগাবাইট বাংলাবাজার পত্রিকা.কম গাজীপুরে ১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম গাজীপুরে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, ঢাকা-টাঙ্গাইল যান চলাচল বন্ধ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম চলতি সপ্তাহে টানা তিন দিনের ছুটিতে যাচ্ছে স্কুল-কলেজ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ পালটাপালটি ধাওয়া, মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নব্বই দশকের প্রেম-স্মৃতি নিয়ে কোয়েলের নতুন যাত্রা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম জেল হত্যা দিবস: শোক ও বেদনা জাতীয় চার নেতাকে য় স্মরণ

স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

দুই সপ্তাহের ছুটি শেষে সোমবার স্কুল খোলার পর ফ্রান্সে আবারও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। তবে আগের কয়েক সপ্তাহের তুলনায় এবার বিক্ষোভ ও স্কুল অবরোধের ঘটনা অনেক কম।


ফরাসি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, প্যারিস, মার্সেই ও রেন শহরের কয়েকটি স্কুলে শিক্ষার্থীরা অবরোধের চেষ্টা করেছে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত প্রায় ৪১টি স্কুল অবরোধের মুখে পড়ে। দেশটির মোট উচ্চবিদ্যালয়ের মাত্র ১ শতাংশ এটি।


এর আগে ছুটির আগের কয়েক সপ্তাহে ফ্রান্সের কয়েকশ স্কুল অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। গত সেপ্টেম্বরে প্যারিসের উপকণ্ঠে শুরু হওয়া এই আন্দোলন পরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। স্কুলের দুরবস্থার পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনে শ্রমিক সংগঠন ও বিভিন্ন কর্মী সংগঠনের সদস্যরাও যোগ দেন। কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়।


শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে সোমবার ফ্রান্স ইন্টার রেডিওকে বলেন, স্কুল অবরোধের চেষ্টা এখন খুবই সীমিত পর্যায়ে রয়েছে। বিক্ষোভ করার অধিকার শিক্ষার্থীদের আছে, তবে স্কুলে প্রবেশে বাধা দেওয়া বেআইনি।


শিক্ষার্থীদের দাবির মধ্যে রয়েছে পুরোনো স্কুল ভবন সংস্কার, শিক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ বৃদ্ধি এবং বর্তমান ভর্তি পদ্ধতি বাতিল। তাদের অভিযোগ, প্রচলিত পদ্ধতিতে সামাজিক বৈষম্য তৈরি হয়।


গত সপ্তাহে শিক্ষামন্ত্রী প্রতি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৮ জনে সীমিত করা, স্কুল সংস্কারে ৪০০ কোটি ইউরো বরাদ্দ, উচ্চশিক্ষায় ১৫ হাজার নতুন আসন তৈরি এবং ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন ভর্তি পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব দেন।


তবে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা এসব প্রস্তাবকে যথেষ্ট মনে করছেন না। তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।


সূত্র: রয়টার্স

সম্পাদক : আবদুল মাতিন