রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ‘একই স্টাইলে’ একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আদাবর থানার সামনে, শাহবাগে পুলিশের ডিউটি গাড়ি লক্ষ্য করে ও জুলাই চত্বরের পাশে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, খিলগাঁওয়ে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দফতর এবং মিরপুরের কালশী মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত পৌনে ৮টা থেকে দিবাগত রাত আড়াইটার মধ্যে এসব স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সবকটি স্থানে মোটরসাইকেলে করে এসে দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়।
সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা এসব ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ফজলুল হক বলেন, আদাবর থানার সামনে রাত ৯টা ৫ মিনিটে মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা দুটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে কোনো হতাহত হয়নি। তবে, কারা কি উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করেছে, সে বিষয়ে জানা যায় নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল খালেক বলেন, শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে শাহবাগ থানাধীন আইবি গেটের সামনে পুলিশের ডিউটি গাড়ি লক্ষ্য করে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় তারা ককটেলটি নিক্ষেপ করে।
তিনি আরও বলেন, রাত ১২টা ১ মিনিটের দিকে শাহবাগের জুলাই চত্বরের পাশেও আরেকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে এই দুটি ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, পৌনে ১২টার দিকে কে বা কারা উড়াল সেতু থেকে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
খিলগাঁও থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, রাত ৭টা ৫৫ মিনিটের দিকে আনসার সদর দফতরের ভেতরে একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আশপাশের কোনো বাসার ছাদ অথবা নিচের কোনো স্থান থেকে ককটেলটি নিক্ষেপ করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ঘটনাটি কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, রাতে কে বা কাহার কালশী মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম






















