ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করেছেন তার মা-বোনসহ পরিবারের অন্যান্য লোকজন।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) তারা একটি গাড়িতে করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন। এরপর কবর জিয়ারত ও মোনাজাত করেন।
এ সময় হাদির পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ই ডিসেম্বর দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর পাঠানো হলেও ১৮ই ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে ১৪ ডিসেম্বর হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটিতে হত্যার ৩০২ ধারা যুক্ত করা হয়। তদন্তের দায়িত্ব থানা পুলিশের পরিবর্তে ডিবি পুলিশের হাতে দেওয়া হয়।
গোয়েন্দা পুলিশ গত ৬ জানুয়ারি মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয়। অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ (৩৭), তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০), মা হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া (২৪), শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু (২৭), বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা (২১), মো. কবির (৩৩), মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ (৩২), সঞ্জয় চিসিম (২৩), মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু (৩৭), হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধার বিষয়ে গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল (২৫), মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ (২৬), সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল (৩২), মুক্তি মাহমুদ (৫১) ও জেসমিন আক্তার (৪২)। এদের মধ্যে কয়েকজন পলাতক।
২০ ডিসেম্বর লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জানাজার পর জাতীয় কবির সমাধির পাশে শায়িত হন ওসমান হাদি।
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম


















