শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬

ই-বর্জ্য এর মতো নতুন পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্যোগ নিতে হবে

ই-বর্জ্য এর মতো নতুন পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উদ্যোগ নিতে হবে

পরিবেশ রক্ষায় শুধু শক্তিশালী আইন করলেই হবে না, বরং ই-বর্জ্য এর মতো নতুন পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। 

কারণ, ই-বর্জ্য দ্রুত বাড়লেও এটি এখনো নীতি নির্ধারণ ও জনসচেতনতায় যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না। এসব বিষয় নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তন: আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা শীর্ষক এক সেমিনারে আলোচনা হয় । 


বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ভয়েস, নাগরিক উদ্যোগ, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্টসহ ২৯টি নাগরিক সংগঠনের উদ্যোগে ১১ জুলাই ঢাকার পরিবেশ অধিদপ্তরের মিলনায়তনে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। 


আলোচনায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বাংলাদেশে ই-বর্জ্য এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু অনেকটাই অবহেলিত পরিবেশগত সমস্যা। সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন, সম্পদের পুনঃব্যবহার এবং সার্কুলার ইকোনমি গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; সরকারকে জবাবদিহির মধ্যে রাখার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে সাধারণ মানুষেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

সেমিনারে ভয়েস-এর প্রতিনিধি বলেন, বাংলাদেশে ই-বর্জ্য সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা পরিবেশগত সমস্যাগুলোর একটি হলেও এটি এখনো যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না। তিনি ভয়েস-এর ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য (ই-বর্জ্য) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ মূল্যায়ন প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্য তৈরি হয়। কিন্তু বিদ্যমান আইনে টেক-ব্যাক ব্যবস্থা এবং উৎপাদনকারীর দায়িত্ব কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না। 


সেমিনারে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বন অধিদপ্তর, বিভিন্ন নাগরিক সমাজ সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, তরুণ প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। বন সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন