মঙ্গলবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

সদস্য লেখকদের সম্মাননা দিল ডিএসইসি

সদস্য লেখকদের সম্মাননা দিল ডিএসইসি

ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সদস্য লেখকদের সম্মাননা দিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার লেখকদের হাতে ক্রেস্ট, উত্তরীয়, সনদপত্র ও সম্মানি তুলে দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই ‘লেখক সম্মাননা-২০২২’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসইসির সভাপতি মামুন ফরাজী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর।

অনুষ্ঠানে কবিতা, ইতিহাস-গবেষণা, গল্প-উপন্যাস, অনুবাদ, শিশুসাহিত্য, ভ্রমণ-বিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে ৯৬ জন নির্বাচিত লেখককে সম্মাননা দেয়া হয়। এরমধ্যে বিশেষ সম্মাননা পান ৫০ জন। যাদের প্রত্যেককে ক্রেস্ট, উত্তরীয় ও সনদপত্রের সঙ্গে সম্মানী বাবদ ৫ হাজার করে নগদ টাকা দেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে লেখক ও সাংবাদিকদের সমাজের বিবেক উল্লেখ করে রাসিক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আমি বিশ্বাস করি একজন সৃষ্টিশীল মানুষ কখনও জেনেশুনে অন্যায় করতে পারেন না। অন্যায় দেখে চুপ থাকার প্রশ্নও আসে না।

তিনি বলেন, সমাজের বুকে যখন দমন-পীড়ন নিয়তি হয়ে দাঁড়ায়, তখন কলম শাণিত করে লেখকরা উচ্চারণ করেন প্রতিবাদের ভাষা। এর মাধ্যমে লেখকরা ন্যায়বোধ প্রতিষ্ঠা করতে চান, দূরীভূত করতে চান অন্ধকার। তবেই শহিদদের রক্তের বিনিময়ে বহু দাম দিয়ে পাওয়া এই বাংলাদেশ হবে বিশ্বের বুকে সত্যিকার অর্থে একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্র।

লিটন বলেন, সমাজের প্রতি, মানুষের প্রতি আপনাদের দায়বদ্ধতার পরিধি অনেক বেশি। আপনারা গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে পত্রিকার পাতায় তুলে আনেন নানা সঙ্গতি-অসঙ্গতির খবর। আপনাদের কলমে উঠে আসে যুক্তিবোধের নানা অনুষঙ্গ। এই কারণে লেখক সমাজনিষ্ঠ একজন সৈনিক।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান হৃদয়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি কায়কোবাদ মিলন, সাবেক সভাপতি কেএম শহিদুল হক, সাবেক সভাপতি শাহ মুহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াছ খানসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সদস্য ও লেখকরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধিত লেখকদের মধ্যে আসিফ, সানজিদা সুলতানা ও জাহাঙ্গীর সুর বক্তব্য দেন।

এতে জুরি বোর্ডের দায়িত্বে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. গিয়াস শামীম, কবি প্রাবন্ধিক-গবেষক মজিদ মাহমুদ, কথাসাহিত্যিক ড. হাসান অরিন্দম, কবি ও গবেষক আমিনুল ইসলাম, কথাসাহিত্যিক মনি হায়দার।

নির্বাহী কমিটিতে (জুরি) ছিলেন মামুন ফরাজী, আনজুমান আরা শিল্পী, আবুল হাসান হৃদয়, লাবিন রহমান, মনির আহমাদ জারিফ, মামুনুর রশিদ মামুন, জাফরুল আলম, হালিমা খাতুন, আরিফ আহমেদ, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, হাসান আহমেদ।

লেখক সম্মাননা উপ-কমিটিতে ছিলেন কবীর আলমগীর, শিবলী নোমানী, প্রতীক মাহমুদ, নাজিম উদ দৌলা সাদী, মো. নঈম মাশরেকী।

সম্পাদক : তাসকিন ফাতেমা

প্রকাশক : জোবায়ের আহমেদ