সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল বাংলাবাজার পত্রিকা.কম চকলেটের তৈরি আস্ত ট্রেন, গড়ল নতুন বিশ্ব রেকর্ড বাংলাবাজার পত্রিকা.কম শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ১৮ মাস পর নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরলেন ড. ইউনূস বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সংসদ বসছে ১২ মার্চ, নির্বাচিত হবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রামকে এক করে দেখা ঠিক হবে না’ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নতুন সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে চাই: প্রণয় ভার্মা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম রাজনৈতিক হয়রানিমূলক সহস্রাধিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম মাদারীপুরে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, ৪ ঘণ্টায় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

সব প্রার্থীর এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দিতে চায় ইউএনডিপি

সব প্রার্থীর এজেন্টদের প্রশিক্ষণ দিতে চায় ইউএনডিপি

জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য ভোটের সময় নির্বাচনী এজেন্ট হিসেবে যারা কাজ করেন, তাদের প্রশিক্ষণ দিতে চায় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ইউএনডিপির বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার নেতৃত্বে এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ১০ দিন পর এসে আজকে তারা একটা ফিডব্যাক দিয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজের সঙ্গে কথা বলেছেন তারা। সরেজমিন দেখেছেন। এর ভিত্তিতে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমাদের কিছু সহযোগিতা করবেন৷ কিছু লজিসটিকস যেটা ক্যামেরা, কম্পিউটার, হার্ডওয়্যার, আরেকটা জিনিস হচ্ছে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেবেন।তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে দক্ষতা আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, যাতে নির্বাচনী ফলাফল দ্রুত দেওয়া যায়, সুশীল সমাজের অংশগ্রহণ, যুব সমাজের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদের দায়িত্বটা কি, সীমানা পুনর্নির্ধারণে কতটা কি করা যেতে পারে এসব দেখা হবে।এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, দলগুলোর সঙ্গে প্রশিক্ষণ নয়। তবে ভোটকেন্দ্রে যিনি দলের থাকবেন তার সঙ্গে যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি তাহলে ভালো ফল পাব।

তিনি আরও বলেন, ওরা নারী অংশগ্রহণের বিষয়ে বলেছেন। আমরা বলেছি যে এজন্য ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটার করছি। এখন ভোটকেন্দ্রে তো তারাই যাবেন। এজন্য আমরা সব সময় উৎসাহ জানাচ্ছি, যাতে তারা অংশগ্রহণ করেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে দক্ষতা আরও কীভাবে বাড়ানো যায়, যাতে নির্বাচনী ফলাফল দ্রুত দেওয়া যায়, সুশীল সমাজের অংশগ্রহণ, যুব সমাজের সচেতনতা বাড়ানো, যে তাদের দায়িত্বটা কী, এসব নিয়ে কথা হয়েছে। এছাড়া সীমানা পুনর্নির্ধারণে কতটা কী করা যেতে পারে, তা নিয়েও কথা হয়েছে। আমরা বলেছি যে কোনো কিছু বন্ধ রাখিনি। একটা সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য যা করা দরকার আমরা করছি।এ সময় ইসি সচিব আখতার আহমেদ আরও জানান, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন