সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল বাংলাবাজার পত্রিকা.কম চকলেটের তৈরি আস্ত ট্রেন, গড়ল নতুন বিশ্ব রেকর্ড বাংলাবাজার পত্রিকা.কম শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ১৮ মাস পর নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরলেন ড. ইউনূস বাংলাবাজার পত্রিকা.কম সংসদ বসছে ১২ মার্চ, নির্বাচিত হবেন স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ‘মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্যান্য আন্দোলন-সংগ্রামকে এক করে দেখা ঠিক হবে না’ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নতুন সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে চাই: প্রণয় ভার্মা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম রাজনৈতিক হয়রানিমূলক সহস্রাধিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম মাদারীপুরে টর্চলাইট জ্বালিয়ে সংঘর্ষ, ৪ ঘণ্টায় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

মোবাইল ফোনে পরিচয়। এরপর দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। সেই সূত্রে দেখা করতে এলে প্রেমিক ও তার সহযোগীদের দ্বারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী।ঘটনাটি ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতের এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী (১৯) গৌরীপুর উপজেলার বাসিন্দা। অন্যদিকে অভিযুক্তরা ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের চট্টি গ্রামের বাসিন্দা। তারা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম (২৪), শান্ত মিয়া (১৯), জীবন মিয়া (২২) ও মো. নাঈম মিয়া (১৯)। এদের মধ্যে জীবন ও নাঈম কৃষিকাজ করেন এবং জাহাঙ্গীর ও শান্ত ইজিবাইকচালক।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তরুণী বলেন, প্রায় এক বছর আগে ফোনে ইজিবাইকচালক জাহাঙ্গীর আলমের (২৪) সঙ্গে আমার পরিচয় ও সম্পর্ক হয়। সেই সুবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে গৌরীপুর পৌর শহরের পাটবাজারে দেখা করি দুজন। সেখান থেকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে আমাকে ডেকে নিয়ে যায় জাহাঙ্গীর। পরে সন্ধ্যার পর আমাকে চট্টি গ্রামের একটি নির্জন বাড়িতে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই একজন অবস্থান করছিলেন। আর জাহাঙ্গীরের সঙ্গে ইজিবাইকে ছিলেন আরও দুজন।তিনি আরও বলেন, এরপর সেখানে নিয়ে চারজন মিলে তারা আমাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। তাদের কাছ থেকে বাঁচতে কত কান্নাকাটি করি, তবুও রক্ষা পাইনি। একপর্যায়ে আমাকে ঘর থেকে একটি খোলা মাঠে নিয়ে মারধর করা হয়। বলা হয়, পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা এনে দিতে পারলে ছেড়ে দেওয়া হবে। তখন আমার কান্নাকাটি ও চিৎকার শুনে জুয়েল মিয়া নামে স্থানীয় এক কৃষক সেখান থেকে আমাকে উদ্ধার করে। আমি এই নির্যাতানের উপযুক্ত বিচার চাই।ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধারকারী জুয়েল মিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে বোরো ধানের জমিতে সেচ দিতে গিয়ে একটি মেয়ের চিৎকার শুনতে পাই। শুরুতে ভয় পেলেও টর্চের আলোতে চার তরুণ ও এক তরুণীকে দেখি। তারা সবাই আমার এলাকার ছেলে।তিনি আরও বলেন, আমি কে কে বলে চিৎকার করতেই মেয়েটি দৌঁড়ে আমার কাছে এসে বলতে থাকে, বাবা আমারে বাঁচাও। এ সময় ওই চারজন দৌঁড়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পর থেকে চারজনই এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সম্পাদক : আবদুল মাতিন