বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনে যে পরিবর্তনের কথা ভাবছে এনটিআরসিএ বাংলাবাজার পত্রিকা.কম আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোয় সাবেক এমপি সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড বাংলাবাজার পত্রিকা.কম 'জামায়াত পাকিস্তানিদের সঙ্গ দিয়ে স্বাধীনতাকে বন্ধ করার চেষ্টা করেছিল' বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ড. ইউনূসের দেওয়া সুখবরের পেছনে অন্ধকার থাকে: তারেক রহমান বাংলাবাজার পত্রিকা.কম স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, রুপার দামও ঊর্ধ্বমুখী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম হাসনাত আব্দুল্লাহর আসনে বিএনপির সমর্থন পেলেন যে প্রার্থী বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ফেসবুক বুস্টিং ও ডিজিটাল প্রচারণার হিসাব দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে বাংলাবাজার পত্রিকা.কম জামায়াত প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে ইসলামী আন্দোলনের নারী কর্মীদের হেনস্তা বাংলাবাজার পত্রিকা.কম ভোটের দিন চলবে বাড়তি মেট্রো ট্রেন বাংলাবাজার পত্রিকা.কম নবনির্বাচিত এমপিদের এবার শপথ পড়াবেন সিইসি

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনে যে পরিবর্তনের কথা ভাবছে এনটিআরসিএ

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনে যে পরিবর্তনের কথা ভাবছে এনটিআরসিএ

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এজন্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের পরিবর্তে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কথা ভাবছে সংস্থাটি।


এনটিআরসিএর একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, নিবন্ধন শব্দ থেকে বের হয়ে আসতে চাচ্ছে সংস্থাটি। এজন্য ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের জায়গায় ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা চলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহের পর এনটিআরসিএর বোর্ড সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।


এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন হবে নাকি ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে যেহেতু শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের পর সরাসরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে, সেহেতু আমরা নিবন্ধন থেকে বের হয়ে আসতে পারি। সামনে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। বিষয়টি আমাদের বোর্ড সভায় চূড়ান্ত করা হবে



আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমাদের পরিকল্পনা হলো- আগামী রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ই-রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম শুরু করার। আগামী বৃহস্পতিবার টেলিটকের সঙ্গে আলোচনার পর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। ই-রেজিস্ট্রেশনের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হবে। এরপর আমরা অনলাইনে শূন্য পদের চাহিদা নেওয়া শুরু করব।


যেসব পরিবর্তন আসছে নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে 



নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি তিন বিভাগের জন্যই ২০০ নম্বরের পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে। যদিও স্কুল-কলেজে এবং কারিগরিতে ১০০ নম্বর সাবজেক্টিভ এবং ১০০ নম্বর জেনারেল এবং মাদরাসার জন্য ১৪০ নম্বর সাবজেক্টিভ এবং ৬০ নম্বর জেনারেল করা প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে এভাবে বিভাজন করলে বৈষম্য তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ জন্য তিন বিভাগের জন্য নম্বর প্যাটার্ন একই রকম রাখার চিন্তা করা হচ্ছে।


এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, পরীক্ষাপদ্ধতি নিয়ে আলোচনায় অনেকে অনেক ধরনের প্রস্তাব করেছেন। স্কুল-কলেজে এবং কারিগরির জন্য একরকম। আবার মাদরাসার জন্য আরেকরকম। তিন বিভাগের জন্য পৃথক পদ্ধতি করা হলে এক প্রকার বৈষম্য করা হবে। সেজন্য আমরা তিন বিভাগের জন্য একই রকম পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে ভাবছি। সামনে এনটিআরসিএর বোর্ড সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে। পরবর্তীতে মন্ত্রণালয়ের সভায় এটি চূড়ান্ত করা হবে।


সম্পাদক : অপূর্ব আহমেদ