রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেছেন, ‘জুলাই সনদ এবং সেই সনদের সংস্কারের বাস্তবায়ন করতে যেয়ে ঐকমত্য কমিশন ভেবেছে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ তাদের কথা রাখবে না। অতএব, জোর করে আগে একটা গণভোট করে নিয়েছিল। এগুলো হলো ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেওয়ার মতো ব্যাপার। গণভোট এভাবে হয় না।
তার চেয়ে বড় কথা, যে গণভোটটা করলেন এটা তো সংবিধানেই নেই।’
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।
মাসুদ কামাল বলেন, ‘যে জিনিসটা সংবিধানে নেই সেটা আপনি কিভাবে করবেন? সেটা তো আপনি করতে পারেন না। এটা নিয়ে আদালতে চলে গেছে একজন, সে বলছে যে—গণভোট ইট সেলফ আনকনস্টিটিউশনাল মানে অবৈধ।
এখন আদালত যদি বলেন হ্যাঁ তাই তো, আদালত না বলে কোনো উপায় নেই। কারণ আদালত তো সংবিধানের বাইরে যেতে পারবেন না।’
তিনি বলেন, ‘সংবিধানের বাইরে বিপ্লব হয়েছে এটুক আমি মানি। কিন্তু আদালত যখন রায় দেবেন তখন সংবিধানের বাইরে যাওয়ার কোনো উপায় নেই।
যদি আদালত সংবিধান মেনে রায়টা দেন তাহলে গণভোট অবৈধ হবে। যদি গণভোটকে অবৈধ বলে দেন আদালত তাহলে কী হলো? এই যে গণভোটটা হলো, এর জন্য যে ব্যয় হলো, যে পরিশ্রম হলো, বারবার আইন ভাঙা হলো তার জন্য ওদের সবার থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা উচিত।’
তিনি আরো বলেন, ‘জনগণের টাকা এটা, আপনার বাপের টাকা না। আমাদের টাকাগুলো নিয়ে অপচয় করলেন কেন? যে কাজটা করবেন সেটাকে জেনে নেন, বুঝে নেন, আইনের পরামর্শ নিয়ে নেন, সুপ্রিম কোর্টের রেফারেন্স নিয়ে করতেন কাজগুলো।’
নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার পত্রিকা.কম























